নজরবন্দি ব্যুরোঃ মেয়াদ শেষের ১ বছর আগে, গত সোমবার অর্থাৎ ২০ সেপ্টেম্বর আচমকাই দিলীপ ঘোষকে রাজ্য সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। কার্যত ক্ষমতাবিহীন পদে উত্তরণ ঘটানো হয় দিলীপ ঘোষকে। মুকুল রায়ের ছেড়ে যাওয়া বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদে আসীন হন মেদিনীপুরের সাংসদ।
আরও পড়ুনঃ ভগৎ সিংয়ের জন্ম তিথিতে কংগ্রেসে কানহাইয়া, আগামীকাল ‘বড় দিন’ প্রাচীনতম পার্টির।


এখানেই কি শেষ? দিল্লি সূত্রে খবর একেবারেই না। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং তাঁর পরে ২০২৬ সাথে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করতে চলেছে বিজেপি। আর সেই কারনেই একাধিক রদবদল আসন্ন। বিশেষত কোপ পড়তে চলে তৃণমূল বা অন্য দল থেকে ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলে যোগ দেওয়া নেতাদের ঘাড়ে। তবে এই তালিকায় নেই শুভেন্দু অধিকারী।
মূলত রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পরে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের ‘অ্যাক্টিভিটি’ খতিয়ে দেখেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। স্টাডি করা হয়েছে চালচলন। কে কতটা নড়ছেন, আর কার বিশ্বাসযোগ্যতা কত, পাশাপশি কার জনপ্রিয়তা কত, সংগঠনই বা করতে পারেন কারা, তা মাথায় রেখেই সাজানো হচ্ছে নতুন টিম। আর এইভাবেই নতুন সাজে সাজছে বঙ্গ বিজেপি।
নতুন সাজে সাজছে বঙ্গ বিজেপি, দেখুন বাদ পড়তে চলেছেন কারা।

নতুন দল সাজানোর লক্ষেই বর্তমান এবং প্রাক্তন কে তলব করা হয়েছে দিল্লীতে। সুকান্ত মজুমদার আর দিলীপ ঘোষ এদিন সন্ধ্যাতেই তলব পেয়ে উড়ে গিয়েছেন দিল্লি। সূত্রের খবর দিলীপ ঘোষ এবং সুকান্ত মজুমদারের সাথে আলোচনা করেই দল গড়বে বিজেপি। সূত্রের দাবি, মূলত নতুন মুখ এবং নতুন প্রজন্মকে সামনে রেখেই সাজানো হবে প্রথম একাদশ। আপাতত খবর, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদকের বাদ পড়তে চলেছেন তিন নেতা। বাদ পড়তে পারেন লকেট চট্টোপাধ্যায়, সায়ন্তন বসু, জ্যোতির্ময় মাহাতো, সঞ্জয় সিং এবং রবীন্দ্রনাথ বসুর মধ্যে ৩ জন।









