নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভগৎ সিংয়ের জন্ম তিথিতে কংগ্রেসে কানহাইয়া আর জিগনেশ। সব ঠিক থাকলে আগামিকাল এই ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে পুরো দেশ। স্বাভাবিকভাবেই টগবগ করে ফুটছে কংগ্রেস হাই কম্যান্ড। বিজেপি বিরোধীতায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা যুব আইকন কানহাইয়া কুমার আর জিগনেশ মেভানি কংগ্রেসে যোগ দিলে বিজেপি বিরোধী ছাত্র যুবর প্রতি বড় বার্তা দিতে পারবে কংগ্রেস।
আরও পড়ুনঃ বুথে CCTV আর কেন্দ্রীয় বাহিনী চাই, কমিশনের দ্বারস্থ BJP, ভোট বন্ধের আর্জি দিলীপের।
কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের ক্ষেত্রে এই দুই তরুণের যোগ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারনা, কানহাইয়া যেমন বড় মঞ্চ পাবেন কংগ্রেসের হাত ধরে। ঠিক তেমনই বিহারের দলের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে কানহাইয়ার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে পারবে কংগ্রেস। একইভাবে জিগনেশের হাত ধরে গুজরাতের বড় অংশ নিজেদের দখলে নিতে পারবে রাহুলের দল।
বাম ছাত্র আন্দোলনের মুখ, মানুষের মন ছুঁয়ে যাওয়া কানহাইয়া প্রবল জনপ্রিয়তা পেলেও ২০১৯ এর ভোটে সেই জনপ্রিয়তার তেমন ছাপ খুঁজে পাওয়া যায়নি ভোটবাক্সে। কিন্তু তাঁর বিতর্ক বুদ্ধিমত্তা এবং রাজনৈতিক জ্ঞান তাঁকে দেশের রাজনীতির ব্লু আইড বয় হতে সাহায্য করেছে। কানহাইয়া কুমারের সাথে ডিবেট লড়তে এসে ততলে গেছেন খোদ সম্বিত পাত্রর মত বিজেপি মুখপাত্রও।
অন্যদিকে জিগনেশ মেভানিও বড় নাম রাজনীতির ক্ষেত্রে। গুজরাটের গত বিধানসভা নির্বাচনেই নিজের জাত চিনিয়েছিলেন তিনি। জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি তথা অমিত শাহ বা নরেন্দ্র মোদীর গড় থেকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সুস্মিতা দেব, জিতিন প্রসাদ এবং প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর মতো তরুণ মুখেরা কংগ্রেসের হাল ছাড়ার পর দল এখন খুঁছে নতুন মুখেদের। যাঁদের কাঁধে ভর দিয়ে ২৪ এর লক্ষ্যে নতুন ঘুঁটি সাজাবেন বর্ষীয়ান নেতারা।
ভগৎ সিংয়ের জন্ম তিথিতে কংগ্রেসে কানহাইয়া এবং জিগনেশ, হাত শক্ত হতে চলেছে রাহুলের।

বিজেপিকে পরাস্ত করার কৌশল হিসেবে এই মূহুর্তে কংগ্রেওসের তুরুপের তাস হতে পারেন কানহাইয়া-জিগনেশই। সূত্রের খবর তাঁরা পাকাপাকি ভাবে দলে চলে এলে ২৪ এর ভোটে প্রার্থী করা হবে এই তরুণ মুখেদের। সাথে থাকবে অবশ্যই প্রশান্ত কিশোরের ভোট কৌশল!



