শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, আবার অপেক্ষা ৩ মাস!

শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, আবার অপেক্ষা ৩ মাস!
শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, আবার অপেক্ষা ৩ মাস!

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ। ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কাট-অফ স্কোরের উপরে নম্বর থাকা সত্ত্বেও বহু প্রার্থীর তালিকায় নাম নেই বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণে তাদের অনলাইন ভেরিফিকেশন ডকুমেন্টস আপলোড রিজেক্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও বহু চাকরিপ্রার্থী অভিযোগ করেছেন ভেরিফিকেশন করার পরেও ওয়েবসাইটে প্রকাশিত কোনও তালিকাতেই তাঁদের নাম নেই।

আরও পড়ুনঃ কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে সংসদ যাত্রা, দাবী আদায়ে অনড় কিষান মোর্চা।

সেই কারণে চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ জানানোর সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। কিন্তু এত অভিযোগ জমা পড়ে যা স্ক্রুটিনি করে আদালত নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নিয়োগ তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছেনা। আজ হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতির কাছে চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম দ্রুত শুনানি শেষ করে নিয়োগের দাবি জানান। অন্যদিকে স্কুল সার্ভিস কমিশন শুনানি শেষ করার জন্যে আরও সময় দাবি করে।

কমিশন আদালতে জানায় অফলাইন ও অনলাইন মিলিয়ে প্রায় ২৬ হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। যারমধ্যে মাত্র সাড়ে ছয় হাজারের মত আবেদনপত্রের শুনানি সম্ভব হয়েছে! এদিকে আদালতের নির্দেশর প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে কমিশনের অফিসে। যার ভিত্তিতে আবার অভিযোগকারীদের আলাদা আলাদা করে নাম তুলতে হবে আলাদা পোর্টালে। এবং ইন্টারভিউয়ের ভিত্তিতে তৈরি মেধাতালিকা হাই কোর্টে পেশ করতে হবে। সেই কারনেই আরও সময় চাই।

উল্লেখ্য, আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চের রায় অনুযায়ী, ১০ জুলাই কমিশন দু’সপ্তাহ ধরে অভিযোগ গ্রহণ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। কিন্তু পরে ২০ জুলাই ডিভিশন বেঞ্চ চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ গ্রহণের সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করার নির্দেশ দেয়। এছাড়াও রায়ে বলা হয় নিয়োগ প্রক্রিয়া জারি থাকলেও উচ্চ প্রাথমিকে ডিভিশন বেঞ্চের অনুমতি ছাড়া নিয়োগ করা যাবে না কাউকে।

শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ

শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, আবার অপেক্ষা ৩ মাস!
শুনানির জেরে পিছিয়ে গেল উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ, আবার অপেক্ষা ৩ মাস!

এদিকে এত অভিযোগ জমা পড়েছে যা খতিয়ে দেখতে কমপক্ষে ৩ মাস সময় লাগবে বলে জানা যাচ্ছে। আদালত জানিয়েছে ১৫ সপ্তাহ পর ফের এই মামলার শুনানি হবে। চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, ‘মহামান্য আদালতের কাছে আবেদন দ্রুত শুনানির কাজ শেষ করে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ সম্পন্ন করা হোক। আবার যেন মেধাতালিকায় কোন অসঙ্গতি না থাকে তা নিশ্চিত করুক স্কুল সার্ভিস কমিশন।’