যাদবপুরের অলিতে গলিতে চোখ রাখলেই দেখা যায়, রুটি-রুজি-রুচির প্রশ্নে সিপিআইএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্যকে ভোট দিন! চলতি লোকসভায় এই তরুণ তুর্কী প্রার্থীকে নিয়ে বামেদের আশা-আশঙ্কা অনেক। যাদবপুর কি এবার সৃজনশীল হবে? উঠছে প্রশ্ন। সে যাই হোক না কেন, বৃহস্পতিবার বিশাল মিছিল করে আলিপুর জেলাশাসকের অফিসে মনোনয়ন দাখিল করলেন সৃজন ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুন: অক্ষয় তৃতীয়ায় মনোনয়ন জমা দেবেন অভিষেক, তার আগে বিশাল রোড শো করবেন TMC সেনাপতি


এদিন শুধু সৃজন ভট্টাচার্যই নন, ডায়মন্ড হারবারের বাম প্রার্থী প্রতীক উর রহমান, দক্ষিণ কলকাতার সিপিআইএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম, মথুরাপুরের শরৎচন্দ্র হালদার এবং জয়নগরের আরএসপি প্রার্থী সমরেন্দ্রনাথ মণ্ডল মনোনয়ন জমা দিলেন।

বাম প্রার্থীদের এই মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি দেখা যায় আলিপুরে। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূল ও সিপিআইএম কর্মীরা। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেল কলকাতা পুলিশ। বামেদের অভিযোগ, তাঁদের মিছিল যখন কালীঘাট সেতুর কাছে পৌঁছয় তখনই তাঁদের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেদের জনগর্জন প্রচারের গান বাজাতে শুরু করে তৃণমূল। সেই দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েন সিপিআইএম কর্মী সমর্থকেরা।



যাদবপুরে এবার বর্ষীয়ান নেতা সুজন চক্রবর্তীর জায়গায় সৃজন ভট্টাচার্যকে টিকিট দিয়েছে বামফ্রন্ট। সুজন চলে এসেছেন দমদমে। সৃজনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী সায়নী ঘোষ। বিজেপি টিকিট দিয়েছে অনির্বাণ গাঙ্গুলিকে। তবে, লড়াই মূলত দ্বিমুখী হতে পারে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। অর্থাৎ, সায়নী বনাম সৃজন।
বিশাল মিছিল করে মনোনয়ন জমা দিলেন যাদবপুরের সৃজন

প্রতিদিনই জোর কদমে প্রচার সারছেন সৃজন। যাদবপুরের ঘরের ছেলে তিনি। জয়ের ব্যাপারেও তিনি অত্যন্ত আশাবাদী। তবে, সায়নী ঘোষও সহজে ছেড়ে দেবার পাত্রী নন। যাদবপুরে যে এবার একটা হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে তা কার্যত নিশ্চিত। যাদবপুরে ভোটগ্রহণ ১ জুন। শেষ হাসি কে হাসেন তা জানা যাবে ৪ঠা জুন।







