নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৈশাখী এমন কিছু খাওয়ায়, পাগল হয়ে গিয়েছে শোভন! পরপুরুষকে ঢোকাইনি বললেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। নারদের আপাত যবনিকা পতনের সাথে সাথেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার জেলে যাওয়া এবং অসুস্থ হয়ে উডবার্নে চিকিৎসাধীন থাকার মাঝে ‘স্বামী কেন আসামি’র প্রেক্ষাপট তৈরী হয় রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে। প্রথম রাউন্ডে রত্না এগিয়ে গেলেও, শেষের দিকে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ অঙ্কে এগিয়ে যান বৈশাখী। এখন আবার নেট দুনিয়ায় মাথা চাড়া দিয়েছে শোভনের পারিবারিক কাহিনী।
আরও পড়ুনঃ বিধায়ক পদ ছেড়ে যাচ্ছেন রাজ্যসভায়? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হচ্ছেন মুকুল রায়।
নারদে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়ে শোভন সোজা গিয়ে উঠেছেন গোলপার্কের ফ্ল্যাটে। অবশ্যই সাথে আছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। মাঝে কয়েকটা দিন কেটে গিয়েছে। কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিকের বাংলা সিনেমা সম কাহিনী বেশ মজা দিচ্ছিল নেটিজেনদের। কিন্তু আচমকাই যেন খবর থেকে হারিয়ে যান শোভন-বৈশাখী। তবে হারিয়ে যাওয়া যে সাময়িক তা প্রমাণ দিয়েছেন বৈশাখী। ফেসবুকে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করে তাঁর দাবি রত্না পরকীয়া করছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, নিজের বাড়ির দোলনায় এক ব্যক্তির সঙ্গে বসে রত্না চট্টোপাধ্যায়। যদিও এই ফ্রেমে দেখা গিয়েছে আরও অনেককেই।
সেই ছবি সামনে রেখেই স্ত্রী রত্নাকে তোপ দেগেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। তার বক্তব্য, ‘আমি যখন বাড়িতে ছিলাম তখন এই ধরনের কেউ আমার বাড়িতে প্রবেশ করতে পারত না। হু আর দে? আমার বাড়িতে এসব ঘটছে। এই ছবিগুলি বেহালা থেকেই আমার হাতে এসেছে। আমার বাড়ির পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে।’ বৈশাখীর দাবি, তাঁকে ঢাল করে নিজের কুকীর্তি লোকাতে চাইছেন রত্না। শোভনের অভিযোগ, ‘রত্না চট্টোপাধ্যায়ের ব্যভিচারী আচরণের জন্যই ডিভোর্সের পথে হাঁটা। রত্না চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অন্য যুবকের সম্পর্কের কথা জানতে পেরেই আমি বিবাহবিচ্ছেদের পথে হেঁটেছিলাম।’ এবার শোভন বৈশাখীর অভিযোগের জবাব দিলেন রত্না। বৈশাখী এমন কিছু খাওয়ায়, পাগল হয়ে গিয়েছে শোভন! পরপুরুষকে ঢোকাইনি বললেন রত্না।
এদিন বেহালা পূর্বের বিধায়িকা বলেছেন, “শোভন মিথ্যেবাদী, নোংরা। সিবিআই কিছু বলেনি। মানবিকতা বোধ ছিল বলেই গিয়েছিলাম। শোভন পাগল। বৈশাখী এমন কিছু খাওয়ায়, তাতে পাগল হয়ে গেছে, স্লো পয়জন করা হচ্ছে।” তাঁর দাবি, “কে ব্যাভিচারী মানুষ সবাই জানে। আমি পরপুরুষকে ঢোকাইনি, আমি কলঙ্কিত হলে ভোটে জিততাম না। বেহালার মানুষ আমাকে কলঙ্কিত করেনি।” পাশাপাশি বৈশাখীকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, “ছবিতে নেশার জিনিস থাকলে দেখান উনি, নাটক করে লাভ নেই। দিঘার হোটেলে উদ্দাম নাচের ছবির প্রমাণ থাকলে, দেখাক।”



