নজরবন্দি ব্যুরোঃ সকলেই চিন্তিত মহিলাদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে। এখানে জিরো টলারেন্স করতে হবে। কোনওরকম কোনও ঘটনা ঘটলে কঠোরতম ব্যবস্থা নিতে হবে। মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে একটিও ঘটনা লজ্জার। আমি আশা করি পুলিশ প্রশাসন সেদিকে নজর রাখবে। হাঁসখালির ঘটনা নিয়ে এমনই মন্তব্য তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের।
আরও পড়ুনঃ রেকর্ড, একাধিক রাষ্ট্রীয় পুরস্কারে সম্মানিত বাংলা


বৃহস্পতিবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট আয়োজিত দক্ষিণেশ্বরের একটি কর্মসূচিতে এমনটাই মন্তব্য করে বসলেন দমদমের তৃণমূল সাংসদ। যেখানে হাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ মদন মিত্রও। যা নিয়ে চড়েছে রাজ্য রাজনীতির পারদও।
এপ্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ওনাকে বলব উনি যে বক্তব্য টা বলেছেন, সত্যিই যদি মনের থেকে বিশ্বাস করেন। তাহলে বলব, দক্ষিণেশ্বর না গিয়ে কালীঘাটে যান। কালীঘাটে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বোঝান। যে ধরনের শব্দ মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতাদের প্রতি ব্যবহার করছেন তা পশ্চিমবঙ্গের জনগণের জন্য লজ্জার।



প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী মহিলা অথবা পুরুষ কি না সেটা আমাদের কাছে বিচার্য নয়। কোনও রাজ্যের মহিলাদের ওপর অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। মেনে নেবো না। সৌগত রায় সঠিক কথা বলেছেন। তবে ততটা দৃঢ়ভাবে বলতে পারেননি। কারণ, ক্ষমতায় তাঁরই দল।
মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর রাজ্যে একটিও ঘটনা লজ্জার, সৌগতের মন্তব্যে শুরু জল্পনা

দেগঙ্গা, মাটিয়া, ইংরেজবাজার, বাঁশদ্রোণী, বোলপুর এবং হাঁসখালির ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতির পারদ চড়তে শুরু করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই কড়া নির্দেশ জারি করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে। এর মধ্যে সৌগত রাউয়ের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।







