নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য। সোমবার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই প্রথম কোনও উপাচার্য গ্রেপ্তার হয়েছেন। আর তাঁর গ্রেফতারি প্রসঙ্গেই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়।
আরও পড়ুনঃ শক্তি বাড়াচ্ছে নিম্নচাপ, পুজোর আগেই ফের ভাসবে গোটা বাংলা



২৪ অগাস্ট সুবীরেশ ভট্টাচার্যের উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসনে পৌঁছে গিয়েছিলেন সিবিআই গোয়েন্দারা। টানা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁর চেম্বারে নিয়ে গিয়েও সুবীরেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন গোয়েন্দারা। ওই দিনই কলকাতার বাঁশদ্রোণীতে সুবীরেশের ভট্টাচার্যের ফ্ল্যাট সিল করে দিয়েছিল সিবিআই। পরের দিন কলকাতায় সুবীরেশ ভট্টাচার্যর উপস্থিতিতেই তাঁর ফ্ল্যাটে টানা তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।



সিবিআইয়ের দাবি, শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অন্যতম পান্ডা হলেন সুবীরেশ। গোটা দুর্নীতি তাঁর অবগতিতেই হয়েছে। ২০১৪ – ২০১৮ পর্যন্ত তিনি যখন SSC-র চেয়ারম্যান ছিলেন তখন থেকেই দুর্নীতির সূত্রপাত। যোগ্য প্রার্থীদের নম্বরে কারচুপি করে তাদের মেধাতালিকা থেকে বাদ দিতেন তিনি। সেই শূন্যপদে নিয়োগ করা হত অযোগ্য প্রার্থীদের। গোটা প্রক্রিয়ায় কোথা থেকে কী ভাবে টাকা যেত তাও জানা ছিল তাঁর।
নিয়োগ-দুর্নীতিতে গ্রেফতার সুবীরেশ, সব দায় পার্থর, লজ্জিত সৌগত!

সুবীরেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনে বিচারপতি তাঁকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এহেন সুবীরেশের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে সৌগত রায় বলেছেন, ‘একজন উপাচার্য জেলে যাচ্ছেন, আমি লজ্জিত’। ‘উপাচার্য পদের মহিমা-গরিমা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে’। ‘কী মহৎ গুণ ছিল যে একসঙ্গে এত পদে!’। ‘ওঁর আনুগত্য ছিল ব্যক্তির প্রতি,’ আর এই ব্যাক্রি হলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।







