নজরবন্দি ব্যুরোঃ ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় আজ ইডি দফতরে হাজিরা দিতে গেলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এদিন সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। ইডি দফতরে সোনিয়া, পথে নামলেন কংগ্রেস কর্মীরা।
আরও পড়ুনঃ 21 July: তৃণমূলের সভামঞ্চে যোগদান করবেন বিজেপির বিধায়করা, জল্পনা তুঙ্গে


এদিন সংসদের ভিতরেও একই ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধী দলের সাংসদরা। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোট বলেন, বাংলা হোক, অথবা রাজস্থান, বারবার বিরোধীদের চুপ করাতেই এটা করা হচ্ছে। কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ভুলে গেছেন তিনি আমাদের দলের নেতাদের নিয়ে যাচ্ছেন। কংগ্রেস নেতাদের পুনরায় জন্ম হয়। কংগ্রেস কী সেটা সবাই বোঝে।
এর আগে একই মামলায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে টানা পাঁচ দিন ধরে তলব করা হয়েছে। টানা ৫০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। এদিন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা গেল তাঁকেও। ছিলেন সোনিয়া কন্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
আগামী দিনে এই ইস্যুতে সরব হওয়ার জন্য বৈঠক করেছেন কংগ্রেস। ১৩ দল মিলে একযোগে বৈঠক করে আগামী দিনের রণনীতি স্থির করেছে। ইডি সূত্রে খবর, সদ্য কোভিড থেকে সুস্থ হয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। তাই জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে বিশ্রাম নিতে পারবেন তিনি।


২০০৮ সালে প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায় ন্যাশনাল হেরল্ডের। সেই অবস্থায় সংস্থাটি সোনিয়াদের সংস্থা ইয়ং ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড সংস্থাটি অধিগ্রহণ করে বলে অভিযোগ। ফলে সংস্থাটির কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ইয়ং ইন্ডিয়ার দখলে আসে। ন্যাশনাল হেরল্ডের ঘাড়ে ৯০ কোটি টাকা দেনা চাপে। ২০১৩ সালে বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী ন্যাশনাল হেরল্ড নিয়ে দিল্লির এক আদালতে সোনিয়া ও রাহুলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেন।
ইডি দফতরে সোনিয়া, দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভ
সংবাদপত্রটি অধিগ্রহণের সময় আর্থিক বেনিয়ম হয়েছিল বলে অভযোগ করেন বিজেপি সাংসদ। তাঁর মূল অভিযোগ ছিল, অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে। সাংবাদপত্রটি মালিকানাধীন থাকা সত্বেও, কীভাবে অধিগ্রহণ করেন গাঁধী। এ নিয়ে তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর কাছে কর ফাঁকিরও অভিযোগ করেন স্বামী। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর ন্যাশনাল হেরাল্ড নিয়ে নতুন করে মামলা শুরু হয়। ট্রায়াল কোর্টে স্বামীর দায়ের করা মামলায় সোনিয়া-রাহুলদের বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকা বেনিয়মের অভিযোগ করা হয়। সেই মামলায় তলব করা হল সোনিয়া গান্ধীকে।








