অষ্টাদশ বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্পিকার নির্বাচনের পর বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, সরকার সুগঠিত বিরোধী দল চায়। একইসঙ্গে নাম না করে বিরোধী দলনেতাকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, “আমরা চাই না বিরোধী দলনেতা ১১ মাস বিধানসভার বাইরে থাকুন।” শুভেন্দুর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা।
শুক্রবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সংবিধানকে মাথায় রেখে আমরা বিধানসভাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।” তিনি আরও জানান, গণতন্ত্রের স্বার্থে শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজন রয়েছে।


রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দুর এই মন্তব্যের নিশানায় ছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে দীর্ঘ সময় বিধানসভার বাইরে থাকার প্রসঙ্গ টেনেই মুখ্যমন্ত্রীর এই খোঁচা বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিনই অষ্টাদশ বিধানসভার স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন কোচবিহার দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসু। বিজেপি পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে তাঁর নাম মনোনয়ন হিসেবে জমা পড়ে। বিরোধী পক্ষ থেকে কোনও পাল্টা প্রার্থী না থাকায় কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই স্পিকার পদে নির্বাচিত হন তিনি।
বিধানসভায় রথীন্দ্রনাথ বসুর নাম প্রস্তাব করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেই। প্রোটেম স্পিকার তাপস রায় সেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট গ্রহণ করেন। উপস্থিত বিজেপি বিধায়করা সর্বসম্মতভাবে সমর্থন জানানোর পর রথীন্দ্রনাথ বসুকে স্পিকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়।


নতুন স্পিকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিধানসভার মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে সরকারের বিশ্বাস।







