নজরবন্দি ব্যুরোঃ বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে শ্রীকান্ত মাহাতো কড়া ভাষায় সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে নিজের মন্তব্যের জন্য মেদিনীপুরের বিধায়ক জুন মাল্যর কাছে শ্রীকান্তকে ক্ষমা চাইতে নির্দেশ দেন তিনি। মন্ত্রিসভার বৈঠকে মমতা শ্রীকান্ত মাহাতোকে বলেন, ‘দলে থাকতে গেলে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। প্রকাশ্যে দলের নেতা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কোনও কথা বলা যাবে না।
আরও পড়ুনঃ দুই কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, লুক আউট নোটিস জারি ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে

শ্রীকান্তকে সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যে মন্তব্য করেছো তার কী প্রমাণ তোমার কাছে রয়েছে? ‘জুনের কাছে তোমায় ক্ষমা চাইতে হবে। এমন করে ক্ষমা চাও যেন জুন আমাকে জানায়’। কিন্তু এই খবর যখন লেখা হচ্ছে তখন পর্যন্ত জুনের কাছে ক্ষমা চাননি শ্রীকান্ত।

বৃহস্পতিবার ইউনেস্কো(UNESCO) কে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মিছিলে সারাদিন ব্যাস্ত ছিলেন জুন মালিয়া। কিন্তু সারাদিনেও ফোন আসেনি শ্রীকান্তর। কিন্তু কেন? শ্রীকান্ত মাহাতোর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, কয়েকবার জুন মালিয়াকে ফোন করছিলেন মন্ত্রী, কিন্তু সেই ফোন ধরেননি জুন। সে যাই হোকনা কেন মোদ্দা কথা হল মুখ্যমন্ত্রী সতর্ক করার ২৪ ঘন্টা পরেও জুনের সাথে কথা হয়নি শ্রীকান্তর।
মমতার নির্দেশ উপেক্ষা, ২৪ ঘন্টা পরেও জুনের কাছে ক্ষমা চেয়ে ফোন আসেনি শ্রীকান্তর!

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র শালবনিতে এক ঘরোয়া সভায় শ্রীকান্ত মাহাতো বলেন, ‘জুন, নুসরত, সায়নী, সায়ন্তিকারা লুটেপুটে খাচ্ছে। মমতা, অভিষেক সুব্রত বক্সিকে বোঝাতে পারছি না। চোরদের কথা শুনছেন মমতা। আমাদের কথা শুনছেন না। এরকম চললে দল ছেড়ে গণআন্দোলন করতে হবে।’ রবিবার ভাইরাল হয় সেই ভিডিয়ো।
এর পর শ্রীকান্ত মাহাতোকে শো কজ করে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। সঙ্গে সঙ্গে দলের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। কিন্তু সেই ক্ষমায় চিড়ে ভেজেনি। শ্রীকান্ত জুন সহ একাধিক নেতা নেত্রীর নাম চোরের তালিকায় উল্লেখ করলেও মুখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র জুনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেন তাঁকে কিন্তু সেই নির্দেশের ২৪ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও ক্ষমা চাওয়া হয়নি শ্রীকান্তর।



