নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজনীতির সঙ্গে তাঁদের দূরত্ব বেড়েছে। তবুও শোভন-বৈশাখীকে ঘিরে অনাবিল আলোচনা লেগেই রয়েছে। শারদিয়ার প্রেমের একঝলক দেখার পর তাঁদের প্রেম আকর্ষিত করেছে আট থেকে আশিকে। শুক্রবার গোলাপি পোষাকে আবার সকলের নজর কাড়লেন চর্চিত যুগল।
আরও পড়ুনঃ রোমিও-জুলিয়েট তো গল্প, শোভন-বৈশাখী কিন্তু বাস্তব!
ওই দিন সন্ধ্যায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ে মেহুলের জন্মদিনে উপস্থিত ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বৈশাখীর শাড়ির সঙ্গে রঙ মিলিয়ে এদিন শোভন পড়েছিলেন গোলাপি রঙের পাঞ্জাবী। অঘোষিত বসন্তের সন্ধায় মধ্যমণি হয়ে উঠলেন শোভন-বৈশাখী।
প্রমোদ সন্ধার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই আলোচনা শুরু হয়েছে স্যোশাল মিডিয়ায়। কারণ, এদিনের পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বামী মনোজিত। এর আগে একাধিক সাক্ষাৎকারে মনোজিতের সঙ্গে সম্পর্কের দুরত্বের কথা জানিয়েছেন বৈশাখী। সম্পর্কের অবনতির পরেও মনোজিতের উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।
অঘোষিত বসন্তের সন্ধায় রঙিন শোভন বৈশাখী

যদিও তাঁর এবং তাঁর মেয়ের কাছে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের গুরুত্ব আরও বেশী বলে দাবী করেন বৈশাখী। আর সেই ছবি ধরাও পড়েছে এদিন। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের চারপাশে আরও প্রাণোবন্ত মনে হয়েছে বৈশাখীকে।
তবে গল্পের মোড় নিয়েছিল মহাদশমী থেকেই। যখন বৈশাখীর সিঁথিতে মনোজিতের দেওয়া সিঁদুরের ওপর নিজের দেওয়া সিঁদুর চাপিয়ে দিয়েছিলেন শোভন। তাই মনোজিতের সঙ্গে খাতায় কলমে সম্পর্ক নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।



