শীতলকুচি হত্যা কান্ড! বাহিনী এবং কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ শীতলকুচি হত্যা কান্ড! বাহিনী এবং কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে। এখনও সরকার তাঁরই,সিধান্তও তাঁর! দলের তরফ থেকে কোচবিহারের শীতলকুচির ঘটনাকে ‘কোল্ড ব্লাডেড মার্ডার’ বলে ব্যাখ্যা করার পর, ঘটনায় CID তদন্তের দাবী জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ চলাকালীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের গুলিতে ঙ্নিগত পরশু নিহত হয়েছেন ৪ জন। গুলিতে জখম আরও ৪ হাসপাতালে ভর্তি। সেই নিহত এবং আহত পরিবারদের সাথে দেখা করতেই  শীতলকুচি যেতে চেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে একাধিক নিয়ম লাগু করেছিল নির্বাচন কমিশন, সেই কারণেই শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে ফিরে এসেছেন কলকাতায়।

আরও পড়ুনঃ করোনা ঠেকাতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক নবান্নে, ১লা বৈশাখ থেকে বাতিল বড়ো অনুষ্ঠান

গুলি চালানোর ব্যাখায়  কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছিল আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয়েছে তাঁদের। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছিল কি কারণে এই আত্মরক্ষা? বাহিনীর দাবি, মাথাভাঙা এলাকার জোড়পাটকিতে তৃণমূল ভোটদানে বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ আসে দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের কাছে। তার পরেই ওই এলাকায় ছুটে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর ঐ এলাকায় বাহিনী পৌঁছনোর পরেই নাকি ঘিরে ধরেছিল ৩০০-৪০০ লোক। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। ফলে সেই সময়ই দু-পক্ষের ঝামেলা থামাতে এবং নিজেদের আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী এমনটাই জানিয়েছেন তাঁরা।

গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে। তার মধ্যেই একের পর এক বিজেপি নেতা মন্তব্য করছেন, প্রয়োজনে বারবার হবে শিতলকুচির ঘটনা। মন্তব্যের বিক্ষোভ প্রকাশ পাচ্ছে রাজ্য জুড়ে। এসবের মধ্যেই ঘটনার তৃতীয় দিনে, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবিওং নির্বাচন কমিশিনের বিরুদ্ধে ঘটনার দ্রুত বিচার চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন জনৈক ব্যাক্তি। পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক ওই ব্যাক্তি দ্রুত বিচারের পাশাপাশি নিহত এবং আহতদের পরিবারের সাহায্যের দাবিও তুলেছেন তিনি।

ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনজিবী ফিরদোউস সামিম জানিয়েছেন, ঘটনার নিরপেক্ষ দ্রুত বিচার চান তিনি। তিনি আরও বলেন, ভোট দিতে গিয়ে এই মৃত্যু, জনমানসে ভিতীর সঞ্চার করেছে। তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই ঘটনার প্রভাব ফেলতে পারে ভোটে, কমতে পারে ভোটের পরিমান,এবং সার্বিক ভাবে ক্ষতি হতে পারে বাংলার গনতন্ত্র। ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে মৃত্যু মানুষের মনে কী গভীর প্রভাব ফেলতে পারে সে নিয়েও এদিন জানিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত