নজরবন্দি ব্যুরোঃ এক সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর কেবিনেট মন্ত্রী ছিলেন। তারপর রাজনৈতিক দোলাচলের কারণে পিছিয়ে পড়েছিলেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে পাটনা সাহিব কেন্দ্র থেকে লড়াই করবেন বলে দলবদল করে কংগ্রেসে গিয়েছিলেন। কংগ্রেসের ডুবো নৌকাতে নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি। এরপর ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত। উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বিরোধীদের খামোশ করে দিলেন ‘বিহারীবাবু’।
আরও পড়ুনঃ বালিগঞ্জে বামেদের চমকপ্রদ উত্থান, তবে কি বাংলায় BJP-র দিন শেষের পথে?


দুই লক্ষাধিক ভোটে আসানসোল আসন থেকে জয়লাভ করলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা। শুধুমাত্র এখানেই শেষ নয়, আসানসোলে নয়া রেকর্ড গড়ল তৃণমূল। এই প্রথমবার শিল্পাঞ্চলের লোকসভা কেন্দ্রটিতে উড়ল ঘাসফুলের পতাকা। এতেই একেবারে চুপ বিরোধীরা।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর থেকে এই কেন্দ্রে কংগ্রেস এবং সিপি(আই)এমের লড়াই ছিল। ১৯৫৭ এবং ১৯৬২ এর নির্বাচনের জয়লাভ করে কংগ্রেস। ১৯৬৭ সালে জয়লাভ করে সংযুক্ত ন্যাশনালিস্ট পার্টি। এর পর শিল্পাঞ্চলে উড়তে শুরু করে সিপি(আই)এমের ধ্বজা। মাঝে ১৯৮০ এবং ১৯৮৪ এর নির্বাচনে কংগ্রেস জয়লাভ করলেও ২০১৪ অবধি এই দুর্গ ছিল বামেদের দখলেই।


২০১৪ সালে এই কেন্দ্রে নজর পড়ে বিজেপির। দুইবারেই প্রাক্তন মন্ত্রী এবং আধুনা তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয়র হয়ে প্রচার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৪ সালে এই কেন্দ্রে জয়লাভ করে বিজেপি। বাংলা থেকে একটিমাত্র আসনেই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছিল বিজেপি। ২০১৯ সালেও একই ঘটনা ঘটল। কিন্তু সেই ট্রেন্ড উপনির্বাচনে এসে ভেঙে গেল। আসানসোলে জয়লাভ করল তৃণমূল।
আসানসোলে নয়া রেকর্ড, প্রথম জয়

একইসঙ্গে আসানসোল ছেড়ে আসা বাবুল সুপ্রিয়র জয়লাভ এবার কলকাতার জনপ্রিয় কেন্দ্র বালিগঞ্জ থেকে। তবে পিছনে থেকেও তাঁকে টেক্কা দিলেন শায়রা শাহ হালিম।







