নজরবন্দি ব্যুরোঃ লাগাতার বিদ্রোহের জেরে জর্জরিত শিলিগুড়ি। এবার পর্যবেক্ষকদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সোমবার এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে গেছে। এবার বিদ্রোহমূখী শিলিগুড়ির বিধায়ক? এই প্রশ্ন ঘুরছে পাহাড় থেকে সমতলে।
আরও পড়ুনঃ Suevndu-Kunal: মানহানির অভিযোগ কুণালের, শুভেন্দুকে হাজিরার নির্দেশ আদালতের
বিধায়কের পাশাপাশি শিলিগুড়ির সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। যদিও শঙ্কর ঘোষের বক্তব্য, অবাঞ্ছিত গ্রুপে থাকার জন্য সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই গ্রুপ ছেড়েছেন। তিনি অবশ্য হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটিতে বিশ্বাস করেন না বলেই জানিয়েছেন।
শঙ্করের ঘনিষ্ট সূত্রে খবর, তিনি এখনও দল ছাড়ার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেন নি। তবে তিনি ভবিষ্যতে কি করবেন তা এখনো তিনি বলতে চাইছেন না। অন্যদিকে একের পর এক বিজেপি নেতাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়া নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান তিনি এই ব্যাপারে কিছুই জানেন না।

২১ নির্বাচনের আগে সিপি(আই)এম ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগদান করেন শংকর ঘোষ। সেখান থেকেই তাঁর যাত্রাশুরু। পরে বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করে শিলিগুড়ির বিধায়ক হয়েছেন। বিধানসভাতেও একাধিক ইস্যুতে সরব হতে দেখা গেছে। তাই শঙ্করের ওপরেই একাধিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দলের তরফে। এখন তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ ত্যাগে নতুন করে জল্পনা মাথাচাড়া দিয়েছে।
উল্লেখ্য, পরশু দুটি উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই বিজেপির অন্দরে বিদ্রোহ লেগেই রয়েছে। বিজেপির অন্তত ১৩ জন নেতা ইস্তফা দিয়েছেন। ইস্তফা দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের ২ জন বিধায়ক। ইস্তফা দেন নদিয়া জেলা সংগঠনের ১০ জন সদস্য। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে দলের অন্দরে।
এবার বিদ্রোহমূখী শিলিগুড়ির বিধায়ক, বিদ্রোহ অব্যহত

মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষের অভিযোগ, তিনি বিধায়ক হয়েও দলের নানা বিষয়ে অন্ধকারে রয়েছেন।দলের তরফে তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি দলের রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। অন্য দিকে, উপনির্বাচনে ভরাডুবির পর শীর্ষ নেতৃত্বকে নিশানা করেছেন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ অনুপম হাজরারা। তাই রাজ্য বিজেপির অন্দরে যে দোলাচল শুরু হয়েছে তাতে শঙ্কর ঘোষের বিষয়টিকেও এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না।



