নজরবন্দি ব্যুরো : কাননে ফুটল পদ্ম, দলের উপরেই গোঁসা করে ছিলেন শোভন। কেন্দ্রীয় নেতারা তাঁর বাড়ি গেলেও গলেনি বরফ। তবে গতকাল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ ডাকায়,পাল্টে গেল গোটা চিত্র। পদ্ম শিবিরে যোগদানে প্রায় ১৪ মাস পরে আবারও সক্রিয় রাজনীতির পথে হাঁটতে চলেছে শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এর নেপথ্যে শাহের বঙ্গ সফর।
আরও পড়ুনঃ দেশে কিছুটা কমলো দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা! মোট মৃত প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার ।
তাছাড়াও এই কর্মসূচী তালিকায় কখনই ছিল না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর।বৃহস্পতিবার রাতেই শোভন-বৈশাখীর সঙ্গে বৈঠক করলেন, অমিত শাহ। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগেই দলের অন্দরে থাকা সমস্ত কলহ দূর করতে চান শাহ। কিছুদিন আগে পর্যন্তও নরেন্দ্র মোদী, অমিত, জেপি নাড্ডাদের একাধিক কর্মসূচি এড়িয়ে গিয়েছিলেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। প্রশ্ন উঠেছিল রাজনৈতিক মহলে। তবে কি এবার সত্যিই ঘাসফুলে যোগদান করছে কানন?
তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে গতকাল অমিত জি’র সঙ্গে বৈঠক সারলেন শোভন। আর এই নৈশবৈঠক ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। বিজেপি সূত্রে খবর,দলে টানতেই শোভন ও বৈশাখীকে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করাতে উদ্যোগী ছিলেন, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এবং কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা এই রাজ্যের সহকারী পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন।
কাননে ফুটল পদ্ম, ফলে বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার কর্মসূচী সেরে সন্ধ্যায় কলকাতায় ফিরে এসেছেন তিনি। রাতেই নিউটাউনের একটি হোটেলে রাত্রিবাস করেন। আর সেইখানেই ডেকে পাঠানো হয় শোভন ও বৈশাখীকে। বিজেপির সঙ্গে দূরত্ব তৈরী হয়েছিল অনেক আগে থেকেই। তা এবার সমাপ্ত হল বলেই মনে করা হচ্ছে। এমনকি রাজনৈতিক কর্মসূচী গুলিতে তাঁদের নাম থাকলেও তাঁরা তাতে অংশগ্রহণ করেননি। তবে অমিতের সফরে সব যেন পাল্টে গেল। এখন বৃহস্পতিবারের সফরের পর আসন্ন নির্বাচনে শোভন ও বৈশাখীর ময়দানে নেমে পড়ার পালা বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির।



