নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রায় একদশক পার হয়ে গিয়েছে ‘সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অব উইমেন অ্যাট ওয়ার্কপ্লেস (প্রিভেনশন, প্রহিবিশন, রিড্রেসাল) অ্যাক্ট’ পাশ করেছে। এই আইন পাশ করাতে বহু বাঁধা পেরোতে হয়েছিল। কিন্তু আখেরে এই আইন পাশ করিয়ে কি কোন লাভ হয়েছে? এইউ আইন পাশের ১০ বছর পূর্তিতে উঠল আলোচনা সভা।
আরও পড়ুনঃ মিস্টার ডিপেন্ডেবলের উপরেই ভরসা BCCI এর, টি২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁকেই কোচ করার পরিকল্পনা


২৫শে নভেম্বর থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারা বিশ্ব জুড়ে এই বিষয়ে নানান কর্মসূচি পালন করা হবে। ইতিমধ্যে বহু কর্মসূচি পালিত হয়ে গিয়েছে। কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার আইন নিয়ে এখনও বহু মহিলা অন্ধকারে রয়েছে। সিংহভাগ নারীই এই বিষয়ে অবগত নয়। শুধু তাই নয় হেনস্থার শিকার হওয়া মহিলারা অভিযোগ জানালেও তারা সঠিক বিচার পাচ্ছেন না।

সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট অব উইমেন অ্যাট ওয়ার্কপ্লেস অনুসারে, যদি কোন কর্মস্থলে ১০ জনের বেশি মহিলা কর্মচারী থাকে তাহলে তাদেরকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে, যাতে তারা যৌন হয়রানির শিকার হলে তা প্রতিকার করতে পারে। কর্মক্ষেত্রে গায়ে হাত দিলে কিংবা গায়ে হাত দেওয়ার চেষ্টা করলে, অথবা কোন রকম যৌন উস্কানিমূলক মন্তব্য দিলে, কোন অশ্লীল বই, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি দেখালে কিংবা দেখানোর চেষ্টা করা হলে। অবাঞ্ছিত দৈহিক, মৌখিক, নিঃশব্দ যৌন ইশারাও এর অন্তর্গত।
এক দশক পার করল কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থার আইন, তবু বিচার পাচ্ছে না নারীরা



এই বিষয়ে এই আইন নিয়ে কাজ করা শীর্ষা গুপ্ত জানিয়েছেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে তাদের মধ্যে বেশীরভাগ ব্যাক্তি উচ্চ পদাধিকারী। ফলে তাদের শাস্তি অনেকাংশে বাঁধা পেয়েছে। অনেকাংশে নিজেদের সম্মানহানি ও হেনস্থার ভয়ে বহু মহিলা কোন অভিযোগই দায়ের করেননি। ঠিক সেই কারনেই এই বিষয়টি নিয়ে আরও আলোচনা করা হচ্ছে। সচেতনতা বাড়ানোর জন্য সুশীল সমাজ ও সমাজকর্মীদের এই বিষয়ে নজর দেওয়ার আর্জিও জানিয়েছেন।







