নজরবন্দি, জলপাইগুড়িঃ কল সেন্টারের আড়ালে চোলছিল সেক্স র্যাকেট। জলপাইগুড়ি রানীনগর এলাকায় বাজারের উপরে একটি নির্মীয়মান বহুতলের গত ২মাস ধরে দুটি ঘর ভাড়া নিয়ে চোলছিল এই চক্র। ধৃত ২০টি মোহিলা ও দুটি পুরুষ। অফিসটি সিল করে দিয়েছে জলপাইগুড়ি কোতয়ালী থানার পুলিশ৷ স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনা জানতে পেরে রিতিমত হতবাক।
আরও পড়ুনঃ ভুমিকম্পে কাঁপল মিজোরাম, মৃদু অনুভুতি উত্তরবঙ্গে
ধৃত মোহিলাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিলিগুড়ির বাসিন্দা। পুলিশ সুত্রে জানাগেছে এই মোহিলাদের দিয়ে বিভিন্ন লোককে ফোন করে গার্লফ্রেন্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রচুর টাকা নেওয়া হত। কিছু কিছু ব্যেক্তিকে গার্লফ্রেন্ড পাইয়ে দেওয়া হয়েছে৷ ধৃত মোহিলারাদের বয়েস ২০-৩০শের মধ্যে৷ মোহিলাদের পাশাপাশি দীপঙ্কর মন্ডল ও রানা সরকার নামে দুই ব্যেক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷

এই দুই ব্যেক্তি মোহিলাদের দিয়ে এই কাজ করাতো বলে পুলিশ সুত্রে খবর। ধৃত ২২জনকে আজ জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলা হয়েছে৷ ধৃতদের কাছথেকে উদ্ধার হয়েছে ৫০-৬০টি মোবাইফোন, লেপটপ,কম্পিউটার ও গ্রাহকদের ফোন নাম্বার লেখে একটি ডাইরি৷ স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে পুলিশ এতো দিন কেনো এই চক্রের খোঁজ পায়নি৷তাদের ধারণা পুলিশ সব জানতো৷ প্রতিদিন দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চলত এই অফিস৷
কল সেন্টারের আড়ালে সেক্স র্যাকেট! গ্রেফতার ২২ জন মহিলা

সারা দিন অফিসের দরজা জানালা বন্ধ করে রাখা হত৷ বাইরের কোনো ব্যেক্তিকে অফিসের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হতনা৷ সমস্ত মোহিলারা ৩১ডি জাতীয় শড়ক দিয়ে এসে রানীনগর রাস স্টেন্ডে নেমে পায়ে হাটা পথে এই অফিসে প্রবেশ করতো। স্থানীয়দের বক্তব্য এই মোহিলাদের মধ্যে কিছু বিবাহিত মোহিলাও ছিল। এদের রাস্তায় দেখে বোঝার উপায় নেই এই মোহিলারা এই চক্রের সাথে জরিত।



