নজরবন্দি ব্যুরোঃ অপরিকল্পিত উদ্যানের কারণেই ভাঙছে নিকাশী ব্যবস্থা! ইট-কাঠ-পাথরের শহরে সবুজের ছোঁয়া আনতে তৈরি করা হয়েছিল উদ্যান। কিন্তু এখন বাসিন্দারাই অভিযোগ তুলছেন। উদ্যান্ টি অপরিকল্পিত বলে দাবি করছেন এলাকাবাসী। উদ্যানের ফলে বাধা পড়ছে নিকাশি ব্যবস্থায়, জল জমে থাকছে দীর্ঘ কাল ধরে। বাসিন্দারা এও অভি্যোগ করেন নিয়মিত পরিষ্কার তো দূর দীর্ঘ ১০ বছরে হাতে গোনা কয়েকবার এসেছে সাফাই কর্মীরা। ব্যহত হচ্ছে সুস্থ জীবন। আটকে থাকছে পুড় এলাকার নিকাশি ব্যবস্থা।
আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড দমদম ক্যান্টনমেন্টে, গভীর রাতে পুড়ে গেল ১০০ দোকান।
পাসের জলাধারের জল এসে ডুবিয়ে দিয়ে যায় গোটা এলাকাকে। এলাকাবাসীদের দাবি কর্পোরেশনের লোক আসেন লোক ফিরে যান, রাস্তা ঘাট অপরিষ্কার থেকেই যায়, এমনকি প্রশাসনও চিঠি দিলে সহায়তা করে না বলে দাবি তুলেছেন। এসব কিছুর জন্য এলাকাবাসী দায়ী করছেন মা-মাটি উদ্যান কেই। হাওড়ার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ক্যারি রোডের বাসিন্দারা এমনই অভিযোগ তুলেছেন।
পদ্মপুকুর-কোনা এক্সপ্রেসওয়ের পাশে পুরসভার জলাধার আছে,সেখান থেকে জল ছাড়া হলেই কার্যত ডুবে যায় এলাকা। আর ঐ জলাধারের বুস্টিং স্টেশনের পাশেই প্রশাসন তৈরি করেছে মা-মাটি-মানুষ উদ্যান। অইব এলাকার ড্রেনেজের জল নিকাশের প্রধান নালার উপরই অপরিকল্পিত ভাবে তৈরি হয়েছে এই উদ্যান। ফলত বিগত কয়েকবছর ধরেই প্রবল সমস্যার সম্মুক্ষীন হচ্ছেন এলাকাবসিরা।
অপরিকল্পিত উদ্যানের কারণেই ভাঙছে নিকাশী ব্যবস্থা! বারবার প্রশাসপ্নের দ্বারস্থ হওয়ার পরও বদল হয়নি পরিস্থিতি। সাফাই কর্মীরাও আসেনা নিয়মিত। পাঁক ভরা জল অলি-গলিতে আটকে থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা। এদিকে ৩৮ এবং ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্ত নর্দমার জল কোনা এক্সপ্রেসের নীচ দিয়ে গিয়ে কবরস্থানে গিয়ে পড়ে। কিন্তু কোনা এক্সপ্রেসে হয়েছে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ফলে ব্যহত নিকাশি ব্যবস্থা, তাঁর ওপর আবার অপরিকল্পিত ভাবে তৈরি হওয়া উদ্যান, এশবের ফলে নর্দমার গভীরতাও কমেছে অনেক ,ধ্বংস হচ্ছে নিকাশী ব্যবস্থা।



