১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।

১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।
১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। আগামী ১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে। করোনার কারনে টানা বন্ধ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কথা ছিল দুর্গাপুজোর পর খুলতে পারে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেটাই হতে চলেছে। যদিও, করোনা নিয়ন্ত্রনে এলেও নিরাময় হয়নি বলে মত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। কিন্তু দুর্গা পুজোর পর স্কুল খুলছে রাজ্যে, ‘সম্ভাবনাময়’ এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই স্কুল সংস্কারে ১০৯ কোটি বরাদ্দ করেছে নবান্ন।

আরও পড়ুনঃ শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ, তুমুল বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল।

সূত্রের খবর, আগামী ১৫ বা ১৬ই নভেম্বর থেকেই খুলে দেওয়া হবে রাজ্যের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রাজ্য সরকারের উপসচিবের তরফে এক নির্দেশিকায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর কে।  মঙ্গলবার এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে বলে খবর। তবে এখনও সরকারি ভাবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কিছু জানানো হয়নি। শিক্ষা দফতর সূত্রে খবর সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই খুলে দেওয়া হবে স্কুল।

উল্লেখ্য, সোমবার রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্যের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল গুলি সংস্কারের জন্যে মোট ১০৯ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৩৩ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি জেলার আধিকারিকরা এই বরাদ্দ অর্থ স্কুল সংস্কারের কাজে লাগাবেন। কারন ৫ই অক্টোবর এই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে স্কুল সংস্কারের জন্যে।

১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে

১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।
১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।

প্রসঙ্গত। করোনার প্রথম ধাক্কায় যখন প্রত্যেকদিন ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছিলেন করোনায়। প্রতিদিন সামনে আসছিল ভয়ঙ্কর ছবি। রাজ্যের হালও ক্রমেই খারাপ হচ্ছিল। প্রতি দিন বাড়ছিল করোনা রোগী। তাই প্রথম ধাক্কায় ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত রাজ্যে সমস্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ব্যাস… তারপর আর খোলেনি স্কুল।

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে পঠন পাঠন চালালেও বিশেষ লাভ হচ্ছে না পড়ুয়াদের। এমনকি সঠিক পরিকাঠামোর অভাবে প্রত্যন্ত গ্রামে এ ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না, ফলে সোজা কথায় বলতে গেলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা করোনার কারণে প্রায় ডকে উঠেছে। এইরকম অবস্থায় করোনার প্রভাব একটু কমে আসলে স্কুল কলেজ খোলার পরিকল্পনা করছে সরকার।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here