শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ, তুমুল বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল।

শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ, তুমুল বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল।
শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ, তুমুল বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ টানা বন্ধ রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কথা ছিল দুর্গাপুজোর পর খুলতে পারে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে পুজোর পর স্কুল খোলার সম্ভাবনা কম। কারন করোনা নিয়ন্ত্রনে এলেও নিরাময় হয়নি বলে মত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এদিকে আসন্ন দুর্গোৎসব। আজ মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসানে শুরু হয়েছে মাতৃপক্ষ। আর সেই দিনেই জানা গেল, শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রধান শিক্ষকদের।

আরও পড়ুনঃ ১৫ই নভেম্বর থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।

সূত্রের খবর, আজ মহালয়ার দিন বুধবার থেকে আগামী শুক্রবার এবং পুজোর ১৬ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রধান শিক্ষকদের। কারন হিসেবে বলা হয়েছে, শারদ শুভেচ্ছা ও বিজয়ার শুভেচ্ছা বার্তা স্কুলে বসে বিলি করতে হবে তাঁদের। এই খবরে চরম বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল। তাঁদের প্রশ্ন, শুভেচ্ছা বার্তা বিলি করতে স্কুলের প্রধানদের কেন আসতে হবে? তাঁদের মত, বাংলার শিক্ষা পোর্টালে শুভেচ্ছা বার্তা আপলোড করে দিলেই তা সব শিক্ষার্থীর মোবাইলে পৌঁছে যাবে।

যদিও এখন পর্যন্ত শুভেচ্ছা বার্তার হার্ড বা সফট কপি কোনোটাই পৌঁছায় নি স্কুলে। সূত্রের দাবি এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে কলকাতার ইনন্সপেক্টর অফ স্কুলের তরফে। নির্দেশিকাটি জারি করা হয়েছে মঙ্গলবার।এদিকে স্কুল সংস্কারে ১০৯ কোটি বরাদ্দ করেছে নবান্ন। সোমবার রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্যের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল গুলি সংস্কারের জন্যে মোট ১০৯ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৩৩ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ প্রধান শিক্ষকদের। 

শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ, তুমুল বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল।
শারদ ও বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাতে ৬ দিন স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ, তুমুল বিক্ষুব্ধ শিক্ষক মহল।

প্রতিটি জেলার আধিকারিকরা এই বরাদ্দ অর্থ স্কুল সংস্কারের কাজে লাগাবেন। কিন্তু প্রশ্ন হল স্কুল কবে খুলবে? কারন ইঙ্গিতে পরিষ্কার মুখ্যমন্ত্রীর পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, পুজোর পর স্কুল খোলার সম্ভাবনা কম। কারন আজ ৫ই অক্টোবর এই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে স্কুল সংস্কারের জন্যে। এদিকে রাত পোহালেই মহালয়া আর ৫ দিন পর পুজো। আর পুজো মানেই পুজোর ছুটি। সুতরাং হাতে গোনা এই ৬ দিনে কি স্কুল সংস্কার সম্ভব? তাই পুজোর ছুটির পর সংস্কারের কাজ চলবে বলে মনে করছে ওয়াকি বহাল মহল। সেই কারনেই পুজোর পর স্কুল খোলার সম্ভাবনা প্রায় নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here