নজরবন্দি ব্যুরোঃ দেখা হল ওদের আবার নতুন দিনের ‘ক্লাশে’, করোনা পরিস্থিতির জেরে গত বছর মার্চ মাস থেকে দেশজুড়ে স্কুল-কলেজ বন্ধ। অতিসম্প্রতি দিল্লি সরকার রাজধানীতেও স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেছে। অন্য সব কর্মকাণ্ড ক্রমশই স্বাভাবিক হয়ে এলেও স্কুল-কলেজে গিয়ে পঠনপাঠন প্রক্রিয়া এখনও রাজ্যে শুরু হয়নি। এই নিয়ে পড়ুয়াদের পাশাপাশি অভিভাবকদের উদ্বেগের সীমা নেই। তবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ অর্থাৎ ১২ই ফেব্রুয়ারি থেকে খুলে গেল রাজ্যের শিক্ষাঙ্গন।
আরও পড়ুনঃ প্রভাব বাংলা বন্ধের! শ্যামবাজার, কোচবিহারে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীরা


শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হবে। তবে আপাতত মাত্র চারটি ক্লাশ খোলা হবে। নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস চালু হচ্ছে। এবং তা সমস্ত স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করেই হবে বলে জানিয়েছেন পার্থ। করোনার জেরে বহুদিন ধরেই বন্ধ রাজ্যের স্কুল-কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যার জেরে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ছাত্রছাত্রীরা। তাই এবার তাঁদের কথা মাথায় রেখে অবশেষে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার খুলে গেল স্কুল।
দেখা হল ওদের আবার নতুন দিনের ‘ক্লাশে’, এদিকে স্কুল খোলার সাথে কড়া নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে শিক্ষা দফতরের তরফে। স্কুল খুললেও করোনা সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক রাজ্য সরকার৷ শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মী, পড়ুয়াদের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে৷ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, নির্দেশিকার একটি যায়গায় বলা হয়েছে, মাদুলি-তাবিজ-কবজ পরে স্কুলে আসা চলবে না৷ কিন্তু এই নির্দেশিকা ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত ক্রবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুনঃ কমলো দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৩০৯ জন


পাশাপাশি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্লাসে দূরত্ব বিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরতে হবে এবং একে অন্যের বই-খাতা-পেন স্পর্শ করা চলবে না৷ পাশাপাশি পড়ুয়াদের সতর্ক করা হবে যাতে একে অন্যের টিফিন ভাগ করে না খায়।







