নজরবন্দি ব্যুরোঃ কথা ছিল পুজোর ছুটির পর খুলতে পারে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু যা পরিস্থিতি তাতে এখন স্কুল কলেজ খোলার সম্ভাবনা নিয়ে ফের প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও দুর্গা পুজোর পর স্কুল খুলছে রাজ্যে, ‘সম্ভাবনাময়’ এই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আশায় বুখ বেঁধেছিল লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া, হাজার হাজার শিক্ষক। করোনার বাড়বাড়ন্তে ফের প্রতিকূল পরিস্থিতি, ঊর্দ্ধমুখী সংক্রমনের জেরে ভাই ফোঁটার পর স্কুল খোলার সম্ভাবনা নেই বলছে ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুনঃ শিক্ষিত বেকারদের হত্যাযজ্ঞের দায় কার? চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ হবু শিক্ষকদের।
দুদিন আগেই ব্রাত্য বসু বলেছেন, “কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন। তাঁর সিদ্ধান্ত মোতাবেক খুলবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।” ব্রাত্য আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর নজরে রেখেছেন। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে তিনি যেমন পরামর্শ দেবেন সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে শিক্ষা দপ্তর।’’ আর এই কোভিড পরিস্থিতি নিয়েই সঙ্কটে পড়েছে শিক্ষা দফতর।
গত ২৩ আগস্ট নবান্ন সভাঘরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “রাজ্যের কোভিড সংক্রমণ যদি নিয়ন্ত্রণে থাকে, সমস্ত পরিস্থিতি আয়ত্তে থাকলে তবেই পুজোর পরে স্কুল খুলে দেওয়া হবে।” কিন্তু সংক্রমনের গ্রাফ বলছে পরিস্থিতি সংকটজনক। কারন গত বৃহস্পতিবার রাজ্য জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৩০ যা ৭ দিনের মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৭৫%। এদিকে ডাবল ভ্যাকসিন নিয়েও করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন আমজনতা।
ভাই ফোঁটার পর স্কুল খোলার সম্ভাবনা নেই! বলছে ওয়াকিবহাল মহল

এদিকে ভাইফোঁটার পর হতে চলেছে বিরোধীদের বহু প্রতীক্ষিত পুরসভা নির্বাচন। কোভিড পরিস্থিতির কারনে প্রায় ১০০ টি পুরসভার ভোট হয়নি রাজ্যে। কলকাতা, শিলিগুড়ির মত কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও বিভিন্ন পুরসভার কাজ চলছে প্রশাসক নিয়োগ করে। এই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে শীঘ্রই। এখন রাজ্যে উপনির্বাচনের আবহ, চলতি মাসের ৩০ তারিখ ভোট গ্রহণের পর ভোট গণনা ২ নভেম্বর। তারপর ৬ তারিখে ভাইফোঁটা। আর ভাইফোঁটার পরেই পুরসভা নির্বাচন হবে বলে খবর সূত্রের।



