নজরবন্দি ব্যুরো: প্রকাশ্যে জিতেন্দ্রকে নিয়ে মন্তব্য করায়, সায়ন্তনকে শোকজ দিলীপের। আসানসোল পুরসভার পুর প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করায়, বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে শোকজ করল রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই সম্পূর্ণ বিষয়টিকে ‘দলবিরোধী’ বলেই মনে করছেন। আর সেই কারণেই শোকজের মুখে পড়তে হল, সায়ন্তনকে।
আর পড়ুনঃবিধি-নিষেধের তালিকা নিয়েই এবার “আনলক” পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দ্বার।


মঙ্গলবারই তাঁকে দলের তরফে চিঠি পাঠানো হয়। ৭দিনের মধ্যে জাবাব তলব করা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্য নেতৃত্বের কোপে পড়েছেন আরও এক নেতা। ফলে এই একই বিষয়ের জন্য আলিপুরের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মাকেও শোকজ করা হয়েছে। এই কারণলই সাময়িক মনমালিন্যের জেরে আসানসোলের পুর প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারি দল ছেড়ে ছিলেন। দিনকয়েক আগেই শুভেন্দুর পথেই হাঁটছিলেন, জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা বেড়েছিল চরমে।
তবে ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই বিজেপিতে মতান্তরের কারণে তিনি সিদ্ধান্ত নেন, তিনি তৃণমূলেই থাকছেন। সাংবাদিক সম্মেলন করে এদিন তিনি একথা জানান। এছাড়াও জিতেন্দ্রকে দলে আনার ব্যাপারে সায়ন্তন ছাড়াও বিজেপির অন্দরে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁরা কেউই পান্ডবেশ্বরের তৃণমূল বিধায়ককে বিজেপিতে স্বাগত জানাতে তেমন রাজি হয়নি। এদিন সায়ন্তন বসু জানিয়েছিলেন, জিতেন্দ্রকে দলে নেওয়া ঠিক হবে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি এ বিষয়ে কথা বলবেন। ফলে প্রকাশ্যে এই মন্তব্য এই মন্তব্য দল ভাল চোখে দেখেনি।
প্রকাশ্যে জিতেন্দ্রকে নিয়ে মন্তব্য করায়, সায়ন্তনকে শোকজ দিলীপের। তাই তাঁকে শোকজ করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। তবে প্রশ্ন উঠছে, জিতেন্দ্রকে কি আবারও দলে টানতে এই শোকজ? নাকি অন্য কিছু? এছাড়াও আলিপুরদুয়ারের বিজেপি জেলার সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মাকে শোকজ করে চিঠি দিয়ে সাতদিনের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়েছে। গঙ্গাপ্রসাদ শর্মাও সংবাদমাধ্যমে দলবিরোধী মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ।









