Middle East Conflict: পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হুথি নেতৃত্ব এই ঘটনাকে ‘যুদ্ধ ঘোষণার’ সমতুল্য বলে দাবি করেছে এবং পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে এই ঘটনার একাধিক দাবি এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
ইয়েমেনের সরকারি সূত্র এবং স্থানীয় প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্য ছিল ইরান থেকে আসা একটি বিমানকে অবতরণ করতে বাধা দেওয়া। ওই বিমানে হুথি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য প্রকাশ্যে আসেনি।
স্থানীয় সূত্রের আরও দাবি, হামলার পর সংশ্লিষ্ট বিমানটি সানায় অবতরণ না করে অন্য একটি বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই তথ্যও স্বাধীন সূত্রে নিশ্চিত করা যায়নি।
ঘটনার পর হুথি গোষ্ঠীর একাধিক নেতা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, এই হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী যে কোনও বিদেশি বিমানকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে। যদিও এই হুমকির পর বাস্তবে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে সানা বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের দাবি-সহ একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ওই ভিডিওগুলির সত্যতা, সময় এবং স্থান স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই সেগুলিকে সতর্কতার সঙ্গে দেখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এই ধরনের ঘটনা যদি আরও বড় সামরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়, তবে তা গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি বাজারের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলের নজর রয়েছে পরিস্থিতির উপর। সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সরকারি অবস্থান এবং পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে বিশ্ব।



