নজরবন্দি ব্যুরো: সত্যজিৎ রায়, এই নামটির সঙ্গেই বাঙালির আবেগ জড়িয়ে। বিশ্বের দরবারে বাংলার সুখ্যাতি এনে দিয়েছিলেন তিনি। আজ ২ মে তাঁর ১০২ তম জন্মজয়ন্তী। পরিচালক হিসেবে জগৎপ্রসিদ্ধ সত্যজিৎ কিন্তু সিনেমায় আসার আগে কি করতেন তিনি। তাঁর সম্পর্কে এই তথ্যগুলি অনেকেরই অজানা।
আরও পড়ুন: ইতিহাসের পাতায় গুরুত্বপূর্ণ ২ মে, জেনে নিন আজকের দিনের নানা ঘটনাবলী


বাংলা চলচ্চিত্র জগতে পা দেওয়ার আগে সিগনেট প্রেসে বইয়ের কভার ইলাস্ট্রেশন করতেন সত্যজিৎ রায়। জিম করবেটের ম্যান ইটার্স অফ কুমায়ুন এবং জওহরলাল নেহেরুর ডিসকভার অফ ইন্ডিয়া- এই বই দুটি তাঁর অন্যতম কাজ।



অসাধারণ ক্যালিওগ্রাফি করতেন সত্যজিৎ রায়। ভারতীয় মোটিফ ও ক্যালিওগ্রাফির সংমিশ্রণে চারটি রোমান ফন্ট ডিজাইন করেছিলেন তিনি। যেগুলির নাম রে রোমান, রে বিজার, হলিডে স্ক্রিপ্ট, ড্যাফনিস।
১৯৪৮ সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসের চিত্রনাট্য লেখা হয়ে গিয়েছিল। হরিসাধন দাশের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি তৈরি করার কথা ছিল কিন্তু প্রযোজক একটি অংশে পরিবর্তন চাইলে রাজি হননি সত্যজিৎ রায়।
সিনেমায় আসার আগে কি করতেন সত্যজিৎ রায়, পরিচালক সম্পর্কে না জানা কিছু তথ্য

সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ প্রথম সিনেমা যা রিলিজের আগে একটি টিজারের মাধ্যমে দেখানো হয়। এই কৃতিত্বের অধিকারী ছিলেন সত্যজিৎ রায় নিজেই। ‘পথের পাঁচালী’ সিনেমায় শেষে হ্যাপি এন্ডিং চেয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জওহরলাল নেহেরুর মধ্যস্থতায় কান ফিল্মস ফেস্টিভ্যাল পৌঁছায় ‘পথের পাঁচালী’।
১৯৬১ সালে কবি সুভাষ মুখপাধ্যায়ের সঙ্গে যৌথভাবে সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা শুরু করেন সত্যজিৎ রায়। কিন্তু তাঁর বাবা সুকুমার রায়ের মৃত্যুর কিছুদিন পরই পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে বিনোদন জগতের একজন হিসেবে ডক্টরেট পাওয়া দ্বিতীয়জন ছিলেন সত্যজিৎ রায়। প্রথম ছিলেন চার্লি চ্যাপলিন। মার্চেন্ট আইভরি ফিল্ম ‘শেক্স পিয়ারওয়ালা’ তে সঙ্গীত পরিচালকের কাজ করেছিলেন তিনি।







