কয়েকদিন পরই সরস্বতী পুজো। নতুন বছর পড়লেই আট থেকে আশি সকলেই এই দিনটির অপেক্ষা করে। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। পুজোর দিন সকাল থেকে উপোস করে মায়ের পায়ে অঞ্জলি দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করে তাঁরা। ঘরে ঘরে পূজিত হন বিদ্যা-বুদ্ধির দেবী। শাস্ত্রমতে, দেবীর আবির্ভাব হয়েছে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে। হিন্দু ধর্মে পুজোর সময়ে বিশেষ কিছু মন্ত্র জপ করতে হয়। বিভিন্ন দেব-দেবীর পুজোয় মন্ত্র আলাদা আলাদা থাকে। সরস্বতী পুজোতেও (Saraswati Puja 2024) এমন কয়েকটি মন্ত্র রয়েছে, যাতে দেবীকে প্রসন্ন করা যায়। কী সেই মন্ত্রগুলি? জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।



আরও পড়ুন: প্রেম দিবসে ভিলেন ‘বৃষ্টি’, বড় আপডেট আবহাওয়ার, আজ কোন দিকে ঘুরবে হাওয়া?
সরস্বতী পুজোর (Saraswati Puja 2024) সকালে কাঁচা হলুদ বাটা গায়ে ছুঁয়ে স্নান সেরে ফেলুন। এরপর শুদ্ধ পোশাক পরিধান করতে হবে। পুজোর জায়গা পরিষ্কার করে সেখানে একটি পিঁড়ি পেতে তার উপর দেবীর মূর্তি স্থাপন করুন। সামনে জলের ঘট রেখে তার উপর আম্রপত্র ও পান পাতা রেখে দিন। প্রতিমার এক পাশে খাগের কলম-দোয়াত, বই রেখে দিন। অন্য কোন কলাশিল্পের সঙ্গে যুক্ত হলে সেই সামগ্রি রাখবেন। আরেকদিকে সাদা কিংবা বাসন্তী রঙয়ের ফুলের মালা, চাল, কুমকুম একটি পাত্রে সাজিয়ে রাখুন।



সরস্বতী দেবীর (Saraswati Puja 2024) প্রতিষ্ঠা মন্ত্র হল- ওম ভূর্ভুবঃ স্বঃ সরস্বতী দেব্যৈ ইহাগচ্ছ ইহ তিষ্ঠ। এতানি পাদ্যাদ্যাচমনীয়-স্নানীয়ং, পুনরাচমনীয়ম্।। প্রতিষ্ঠার পর স্নান করানোর সময় ওম মন্দাকিন্যা সমানীতৈঃ, হেমাম্ভোরুহ-বাসিতৈঃ স্নানং কুরুষ্ব দেবেশি, সলিলং চ সুগন্ধিভিঃ।। ওম শ্রী সরস্বতয়ৈ নমঃ।। মন্ত্রটি উচ্চারণ করা হয়। অঞ্জলি দেওয়ার সময়ে যে প্রধান মন্ত্র উচ্চারণ করা হয় সেটি হল, ‘সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যেকমললোচনে, বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাং দেহি নমস্তুতে। জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে। বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোস্তুতে। নমঃ ভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ। বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যা-স্থানেভ্য এব চ।। এস সচন্দন পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলি সরস্বতৈ নমঃ।।’
সরস্বতী পুজোর প্রস্তুতি শুরু! বাগদেবী কৃপা পেতে জেনে নিন এই মন্ত্রগুলি

এছাড়া রয়েছে, সরস্বতী (Saraswati Puja 2024) স্তব মন্ত্র- ‘শ্বেতপদ্মাসনা দেবী শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা। শ্বেতাম্ভরধরা নিত্যা শ্বেতাগন্ধানুলেপনা।। শ্বেতাক্ষসূত্রহস্তা চ শ্বেতচন্দনচর্চ্চিতা। শ্বেতবীণাধরা শুভ্রা শ্বেতালঙ্কারবভূষিতা। বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈর্চ্চিতা দেবদানবৈঃ। পূঝিতা মুনিভি: সর্ব্বৈঋষিভিঃ স্তূয়তে সদা।। স্তোত্রেণানেন তাং দেবীং জগদ্ধাত্রীং সরস্বতীম্। যে স্মরতি ত্রিসন্ধ্যায়ং সর্ব্বাং বিদ্যাং লভন্তি তে।।’








