সঞ্জয়ের DNA পাঠানো হল পরীক্ষায়, সন্দেহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার

সঞ্জয়ের DNA পাঠানো হল পরীক্ষায় সন্দেহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার। সে কারণেই এবার আরও নিশ্চিত হতে সঞ্জয়ের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

চিকিৎসক মৃত্যুকে ঘিরে যতই তদন্ত এগচ্ছে ততই বাড়ছে রহস্য। সেই সঙ্গে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছিল। একইসাথে মৃতদেহের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল একাধিক নমুনাও। আর তার ওপর ভিত্তি করেই তদন্তকারিদের তরফে মনে করা হচ্ছিল যে এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির যুক্ত থাকার সম্ভাবনা। আর সে কারণেই এবার আরও নিশ্চিত হতে ধৃত সঞ্জয়ের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

সোমবার তদন্তের স্বার্থে এক মহিলাকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল লালবাজারে। এর সাথে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের সঙ্গে বেশি পরিচয় ছিল, এমন পাঁচ জনকে সোমবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। যেখানে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই ধৃত সঞ্জয় প্রথমেই সেমিনার হলে যাননি। ওই দিন অপারেশন রুম খুঁজছিলেন। ঐদিন তার পরিচিত কারোর অপারেশন হওয়ার কথা ছিল তাই। আর অপারেশন রুম খুঁজতে খুঁজতেই সঞ্জয়ের নজরে আসে ওই সেমিনার রুম। তখনই তিনি ওই মহিলা চিকিৎসককে সেখানে দেখেন। তার পরে ঘটনাটি ঘটান।

এদিকে হাসপাতাল থেকে মৃতার বাড়িতে যিনি ফোন করে প্রথম খবর দিয়েছিলেন, আরজি করের সেই সহকারী সুপারকে মঙ্গলবার লালবাজারে ডেকে পাঠিয়েছে পুলিশ। কারণ সেই ফোন থেকেই জানানো হয় জে তাঁদের মেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে। যা নিয়ে ইতি মধ্যেই বিক্ষোভে প্রশ্ন তুলছেন জুনিওর চিকিৎসকদের একাংশ। যদিও পরবর্তীকালে সেটা খুন ও ধর্ষণ বলেই প্রমাণ হয়। আর এই নিয়েই সরব হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যপাধ্যায়ও। সোমবার তিনি জানান কে প্রথম ওই কথা বলেছিলেন, তা খোঁজ করা হবে। তাঁকেও প্রশ্ন করবে পুলিশ।

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন আগামী রবিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন তবে সিবিআই-এর হাতে তদন্ত তুলে দেওয়া হবে। এখানেই ওই আন্দোলনরত পড়ুয়া চিকিৎসকদের দাবি,”কেন আমরা সিবিআই তদন্তের জন্য এতদিন অপেক্ষা করব?” এই আন্দোলনরত চিকিৎসকদের একটাই দাবি বিচার চাই ও তাঁদের নিরাপত্তা চাই। আর যতদিন পর্যন্ত এই নারকীয় ঘটনার দ্রুত বিচার হচ্ছে পাশাপাশি তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা। ফলে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তির জন্য ঘটনার তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছিল, তার সদস্যও বাড়িয়েছে পুলিশ। আগে ৭ জনের ‘সিট’ ছিল। এখন তার সদস্যসংখ্যা ১২জন করা হয়েছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর