নজরবন্দি ব্যুরোঃ অভিনেত্রী পল্লবী দে-ই নয়, এর আগেও আত্মহত্যা করেছিলেন সাগ্নিক চক্রবর্তীর আরও এক প্রেমিকা। প্রকাশ্যে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। সেই আত্মহত্যার জন্যও দায়ী সাগ্নিক, এমনটাই দাবি সেই কিশোরীর বাবা-মায়ের। পাশাপাশি ঐন্দ্রিলাকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ পল্লবী বাড়ি না থাকলে একাধিকবার ফ্ল্যাটে আসত ঐন্দ্রিলা, বিস্ফোরক পরিচারিকা
২০১৪ সালের ১৮ মার্চ হাওড়ার জগাছার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল একাদশ শ্রেণির ছাত্রী সৌমি মণ্ডলের ঝুলন্ত দেহ৷ পল্লবীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতেই ফের একবার সাগ্নিকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন সৌমির পরিবার৷ সৌমির বাবা অজয় মণ্ডল জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ আত্মহত্যা করেছিলেন তাঁর মেয়ে। ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছিলেন তাঁরা।

একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার পর আত্মহত্যা করেন সৌমি। সেই সময় সাগ্নিক দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। দুজনের মধ্যে স্কুল থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। হাওড়ার জগাছার কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়া ছিলেন তাঁরা। এরপর ফোর্ট উইলিয়াম কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সৌমির সঙ্গে দেখা করতে প্রায়ই বাড়িতে আসতেন সাগ্নিক।

কিন্তু সেটা পছন্দ করতেন না বাড়ির কেউই। কারণ সাগ্নিকের চরিত্র ভাল না। রাস্তাঘাটে দাঁড়িয়ে প্রায়ই সৌমির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতেন সাগ্নিক। অন্য ছেলেদের দিয়ে বিরক্ত করতেন সৌমিকে। অষ্টম শ্রেণি থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তাঁদের সম্পর্ক ছিল। সৌমির মৃত্যুর জন্য সাগ্নিকই একশো শতাংশ দায়ী ছিল বলেই মত তাঁর। পুলিশের কাছে জানিয়েছিলেন তাঁরা।

কিন্তু জগাছা থানার পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। এই ঘটনার পর থেকে ঐন্দ্রিলার সঙ্গে সাগ্নিকের যোগাযোগের বিষয়টিও জানিয়েছেন তাঁরা।
৮ বছর আগে সৌমি আত্মহত্যা কাণ্ডেও নাম জড়িয়েছিল সাগ্নিকের, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সৌমির বাবা -মার কথায়, পল্লবীর মৃত্যুর সঙ্গে সাগ্নিকের যোগ থাকা একেবারেই অসম্ভব নয়। ঘটনার পর্যাপ্ত তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন।



