নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভাল নেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, তাই নিজেই ইস্তফা দিতে চাইছেন প্রেসিডেণ্ট পদ থেকে। ভ্লাদিমির পুতিন এক সময়ে সামরিক বাহিনীতে ছিলেন। সেই কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়েই তিনি দেশের গৌরব রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিলেন। সম্প্রতি ভাল নেই তার শারীরিক অবস্থা। জানা যাচ্ছে, পারকিনসন্স ডিজিজে আক্রান্ত প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ‘New York Post’ –এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, পুতিনের বয়স ৬৮ বছর।
আরও পড়ুনঃ প্রকৃত সিমান্তরেখায় মেনে নেওয়া হবে না চিনের হস্তক্ষেপ, কড়া বার্তা বিপিন রাওয়াতের।


তিনি পারকিনসন্স ডিজিজে আক্রান্ত। তাঁর দুই মেয়ে এবং বান্ধবী এলিনা কাবায়েভা তাঁকে রাজনীতি থেকে সরে আসার জন্য অনুরোধ করছেন। রাশিয়ার বিখ্যাত বুদ্ধিজীবী ভেলেরি স্লোভেইকের দাবি, পুলিনের উপর তাঁর পরিবারের প্রভাব অনেক বেশি কাজ করে। তাই তিনি রাজনীতি থেকে সরতে চাইছেন। স্লোভেইকে জানিয়েছেন, জানুয়ারি ২০২১-এ দেশের প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে আসার কথা ঘোষণা করতে পারেন তিনি।
New York Post’-এর প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি পুতিনের অসুস্থতার খবর একাধিকবার সামনে এসেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে একটি ভিডিও ফুটেজের কথা। বলা হয়েছে, ওই ফুটেজে দেখা গেছে, বসে থাকার সময় প্রেসিডেন্টের পা কাঁপছিল। চোখে মুখে ছিল যন্ত্রণার ছাপ। ওষুধ খেতে গিয়ে বেঁকে যাচ্ছিল তাঁর হাতের আঙ্গুল। মার্কিন সংবাধ্যমে প্রকাশিত এই রিপোর্টকে শুধুমাত্রই জল্পনা বলে দাবি করেছে পুতিনের অফিস। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, গোটা বিশ্ব ব্যাপি চলে ক্ষমতার হস্তান্তর নীতি।
ভাল নেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন, এটা একটা খুবই সাধারণ। উল্লেখ্য, রুশ আহনপ্রণেতারা লাঘু করতে চলেছে এমপ আইন। যা লাঘু হওয়ার পরে পুতিনের বিরুদ্ধে আর কোন অপরাধিক মামলা চালানো যাবে না। গত মার্চে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব পাশ হয় রাশিয়ান পার্লামেন্টে। এরপরই বিশ্ব রাজনীতিতে পুতিনের ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। রুশ সংবিধান অনুযায়ী, দু’বারের বেশি কেউ রাষ্ট্রপতি পদের দ্বায়িতে পেতে পারেন না । সেই মতো প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতায় থাকার সময়সীমা ২০২৪ সাল। তার আগেই তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা প্রকশ্যে আসায় জল্পনা তৈরী হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।









