নজরবন্দি ব্যুরোঃ যুদ্ধের আবহে ভয়ঙ্কর অভিযোগ। রুশ-ইউক্রেনের বৈঠকের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ উঠেছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে। কেন এই খুন? তা নিয়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
আরও পড়ুনঃ Russia-Ukraine War LIVE: যুদ্ধবিরতির মধ্যেই রাশিয়ার হামলা, কিয়েভে মৃত ৬ সাধারণ নাগরিক!


যুদ্ধ থামাতে আজই বৈঠকে বসতে চলেছে মস্কো কিয়েভ। বেলারুশে হওয়ার কথা বৈঠকের। ঠিক তার আগেই এই ঘটনা সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। আগামী দিনে এর প্রভাব যুদ্ধে পড়বে? নাকি ইউক্রেনের দাবী অমান্য করেই হামলা চালিয়ে যাবে রাশিয়া? আরও জোরালো হচ্ছে জল্পনা।
এদিন সকাল ৬টা নাগাদ (ভারতীয় সময় অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১১টা) রাশিয়ার তরফে যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা করা হয়। ইউক্রেন ও অন্য়ান্য দেশের সাধারণ নাগরিকদের উদ্ধারের জন্য এই সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করা হয়েছে। কিয়েভ ও খারকিভে মাত্র ৭ ঘন্টার জন্য এই যুদ্ধবিরতি জারি করা হয়েছিল। এই সময়ের মধ্যেই সংঘর্ষস্থলগুলি থেকে সাধারণ নাগরিকদের উদ্ধার করে বের করে আনার কথা। কিন্তু তারই মাঝে কিয়েভ দখলে মরিয়া হয়ে রুশ বাহিনী ফের হামলা চালাল।
রাশিয়ার এই অতর্কিত হামলার নিন্দা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনেস্কি। পাশাপাশি নিজের দেশের মানুষ কে আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, খুব তাড়াতাড়ি দেশের মানুষ শান্তি ফিরে পাবেন। এবং যারা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন তাঁরা দেশে ফিরতে পারবেন। উল্লেখ্য, একদিন আগেই জেলেনেস্কে বলেছিলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে যাবতীয় ক্ষতিপূরণ নেবেন সুদে আসলে।


ইউক্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকা মারিউপোলে ঘিরে রেখেছে রুশ সেনা। ফলে গোটা শহরে রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, মারিউপোল এবং ভলোনোভাখা দুটি শহরের স্থানীয় বাসিন্দাদের শহর ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে রাশিয়ার সেনারা।
রুশ-ইউক্রেন বৈঠকের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী খুন, কেন খুন বাড়ছে চাঞ্চল্য
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মত সমস্ত বিদ্যুৎ পরিষেবা, খাবার, পানীয় জল সরবরাহ এমনকি যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল রুশ সেনার তরফে। মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের প্রয়োজনীয় সামগ্রীর কথা ভাবে এখন মারিউপোল ছাড়ার পরিকল্পনা নিচ্ছেন তাঁরা। মানবিক করিডোর করে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ মানুষকে বাঁচানোর আর্জি।








