মরণ বাঁচন শেষ ম্যাচে প্লে অফে পৌঁছতে ভরসা সেই রাসেল ।

মরণ বাঁচন শেষ ম্যাচে প্লে অফে  পৌঁছতে ভরসা সেই রাসেল ।

নজরবন্দি ব্যুরো: মরণ বাঁচন শেষ ম্যাচে প্লে অফে পৌঁছতে ভরসা সেই রাসেল। হারলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়। জিতলে পৌঁছানো যেতে পারে প্লে অফ এ। নিজেদের শেষ ম্যাচে পৌঁছে গেলেও মুম্বই ও চেন্নাই ছাড়া এই দোলাচালে ভাসছে আইপিএল এর বাকি ৬ টি টিমই। যার প্রথম জন নক আউট এ পৌঁছে গেছে ও দ্বিতীয় জন বাদ হয়ে খেলে। একই অনিশ্চয়তার মেঘ কেকেআর আকাশেও। শনিবার দুপুরে যেমন দিল্লি ক্যাপিটালস বিশ্রী হেরে যাওয়ায় কেকেআরের সুবিধে হল কিছুটা।

আরও পড়ুনঃ ফ্রান্সের ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ সমর্থনযোগ্য নয়, বিরোধিতায় শাবানা-জাভেদ-নাসিরুদ্দিন সহ বিশিষ্টজনেরা।

কিন্তু রাতেই সেটা আবার পাল্টে গেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বিরাট কোহলির আরসিবিকে হারিয়ে দেওয়ায়। সানরাইজার্স চলে এল চারে।কেকেআর নেমে গেল সাতে। আসলে চিন্তার হচ্ছে নেট রান রেট। কেকেআরের যা বেশ খারাপ (-০.৪৬৭)। এ দিন হারলেও দিল্লি (-০.১৫৯) আর আরসিবির নেট রান রেট (-০.১৪৫) কেকেআরের তুলনায় ভাল। এদিকে আজ দিনের প্রথম ম্যাচের দিকেও নজর থাকবে নাইটদের। মহেন্দ্র সিং ধােনির চেন্নাই সুপার কিংস যদি কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে হারিয়ে দিতে পারে তাহলে নাইটদের লড়াইটা অনেকটা সহজ হয়।

তবে সবার আগে জিততে হবে কেকেআর কে। তবেই আসবে অন্য সমীকরণ। তবে ১৩ ম্যাচ খেলে নেওয়া নাইট বাহিনী এখনও ঠিক করতে পারেনি। ওপেন থেকে বোলিং সব কম্বিনেশন নিয়েই চলছে কাঁটাছেঁড়া। গত লড়াইয়ে হটাৎ রিঙ্কু সিং কে নামায় তারা যাতে কমে যায় রানের গতি। রাসেল না থাকায় পঞ্চম বোলারের অভাব ও দেখা গেছে. নীতীশ রানা বল করতে এলে চেন্নাই সেখান থেকেই রানের গতি বাড়াতে শুরু করে। রাসেল খেললে লােয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাটিংটা যেমন শক্তিশালী হবে। তেমনই ডেথে দু’টো ওভার ওকে দিয়ে করিয়েও দেওয়া যেতে পারে।

মরণ বাঁচন শেষ ম্যাচে প্লে অফে পৌঁছতে ভরসা সেই রাসেল । তবে রাসেলকে খেলালে প্রশ্ন হল, কোন বিদেশিকে বসানাে হবে? এখানে কেকেআর টিম ম্যানেজমেন্টকে একটা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওদের ঠিক করতে হবে, কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ? পাওয়ার প্লে- তে ভাল বােলিং? নাকি ডেথে? যদি ডেথ বােলিং গুরুত্বপূর্ণ হয়, তা হলে প্যাট কামিন্স বসবে। লকি ফার্গুসন থাকবে। আর পাওয়ার প্লে গুরুত্বপূর্ণ হলে উলটোটা। লকি আউট, কামিন্স ইন।তবে শুধু রাসেলকে খেলানাে নয়। কেকেআরকে বেন স্টোকসকে আউট করারও রাস্তা বার করতে হবে। শেষ দু’টো ম্যাচ মিলিয়ে দেড়শাে রান করেছে স্টোকস!

আর মুশকিল কী জানেন, সব ক্রিকেটারেরই কোনও না কোনও দুর্বলতা থাকে। কেউ পেস ভাল খেলে। কেউ স্পিন। কিন্তু স্টোকস এমন এক ক্রিকেটার, যে দু’টোই ভাল খেলে। তেমন কোনও দুর্বলতাই নেই। তাই স্টোকসকে আটকানো বড় চ্যালেঞ্জ তাদের। তবে মাসেল রাসেলই তাদের নিয়ে যাবে মূলপর্বে আশায় কেকেআর শিবির থেকে ভক্তেরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x