ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর ক্রমাগত নির্যাতনের ঘটনায় মোদি সরকারের উপর চাপ বাড়াল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মন্দির পুড়িয়ে দেওয়া, লুটপাট এবং মহিলাদের উপর নির্যাতনের মতো ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের নিন্দার বাইরে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি তুলেছে সংঘ।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর অত্যাচারের কথা স্বীকার করে নিয়েছে সে দেশের সরকার। বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি সম্প্রতি ঢাকা সফরে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান। তবে সংঘের মতে, কথার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।
আরএসএস-এর মুখপাত্র সুনীল আম্বেকর বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রের উচিত আরও কঠোর হওয়া। শুধুমাত্র নিন্দা করা পর্যাপ্ত নয়। কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।” সংঘের মতে, বাংলাদেশের এই হিন্দু নির্যাতনের পেছনে উদ্দেশ্য হল দেশে হিন্দুদের শূন্য করে দেওয়া। পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে আরএসএস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এবং বিজেপি সমর্থিত প্রায় ২০০টি সংগঠন দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের দিকে পদযাত্রার আয়োজন করে। তবে দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হাইকমিশনের আগে থামিয়ে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সংঘের দাবি, হিন্দু নির্যাতন বন্ধ করতে ভারত সরকারের উচিত বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্ব সহকারে তোলা। প্রয়োজনে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে এই সমস্যার সমাধান খোঁজা উচিত।



