ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন এক দিনের সিরিজটি হতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি, যারা সম্প্রতি টেস্ট ক্রিকেটে ছন্দে নেই, তাঁদের সাদা বলের ক্রিকেটে ফর্মে ফেরার সুযোগ দেওয়া হতে পারে। এই সিরিজটি হবে আগামী চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫-এর প্রস্তুতির অন্যতম মঞ্চ।
ভারতের ওপেনিং বিভাগে দেখা যাবে রোহিত শর্মা এবং যশস্বী জয়সওয়ালকে। তৃতীয় ওপেনার হিসেবে স্কোয়াডে থাকবেন শুভমন গিল। রোহিতের নেতৃত্বে দল ফাইনালে পৌঁছেছিল ২০২৩ সালের এক দিনের বিশ্বকাপে, তাই তাঁকে এই সিরিজে নেতৃত্বের দায়িত্ব দেওয়া হবে। যশস্বীও সাম্প্রতিক ফর্মের কারণে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করার যোগ্য দাবিদার।


ভারতের মিডল অর্ডারে থাকবেন বিরাট কোহলি। যদিও টেস্টে ফর্মের অভাবে ভুগছেন, তবে নির্বাচকেরা চাইবেন সাদা বলের ক্রিকেটে তিনি রান করে নিজের আত্মবিশ্বাস ফিরে পান। তাঁর সঙ্গে থাকবেন শ্রেয়স আয়ার, যিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক রান করেছেন। উইকেটরক্ষক হিসেবে পন্থ এবং সঞ্জু স্যামসনের মধ্যে একজন সুযোগ পেতে পারেন। লোকেশ রাহুলও থাকবেন দলে, বিশেষত তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের কারণে।
ভারতের সাদা বলের স্কোয়াডে অলরাউন্ডার হিসাবে হার্দিক পাণ্ড্য এবং নীতীশ কুমার রেড্ডিকে রাখা হতে পারে। স্পিন অলরাউন্ডার হিসাবে খেলতে পারেন অক্ষর পটেল এবং রবীন্দ্র জাডেজা। তাঁদের উপস্থিতি লোয়ার অর্ডারে দলের গভীরতা বাড়াবে। প্রথম পছন্দ হিসেবে থাকবেন কুলদীপ যাদব। তবে চোটের কারণে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে সুযোগ পেতে পারেন রবি বিষ্ণোই বা বরুণ চক্রবর্তী।
পেস বিভাগে নেতৃত্ব দেবেন অভিজ্ঞ মহম্মদ শামি। চোটের কারণে অনিশ্চিত জসপ্রীত বুমরাহ। দ্বিতীয় পেসার হিসেবে দলে থাকতে পারেন মায়াঙ্ক যাদব, এবং তৃতীয় পেসার হিসেবে সুযোগ পেতে পারেন হর্ষিত রানা। তরুণ পেসারদের পরীক্ষা করার লক্ষ্যেই তাঁদের সুযোগ দেওয়া হতে পারে।


রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়ার, লোকেশ রাহুল (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পাণ্ড্য, নীতীশ কুমার রেড্ডি, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), সঞ্জু স্যামসন (উইকেটরক্ষক), অক্ষর পটেল, রবীন্দ্র জাডেজা, কুলদীপ যাদব, মায়াঙ্ক যাদব, হর্ষিত রানা এবং মহম্মদ শামি।
সম্ভাব্য প্রথম একাদশ
রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), যশস্বী জয়সওয়াল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আয়ার, হার্দিক পাণ্ড্য, ঋষভ পন্থ (উইকেটরক্ষক), অক্ষর পটেল, রবীন্দ্র জাডেজা, কুলদীপ যাদব, মায়াঙ্ক যাদব এবং মহম্মদ শামি।







