সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভিডিও প্রকাশ, অস্বস্তিতে মুম্বাই পুলিশ।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু নিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন তথ্য বেরোচ্ছে আর বাড়ছে সন্দেহ। যত দিন যাচ্ছে এই মৃত্যু আত্মহত্যা থেকে খুনের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। আর এই নিয়েই এখন নতুন করে তদন্ত শুরু করফেছে বিহার পুলিশ। কারণ সুশান্তের বাবা বিহারে সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীর নামে FIR করেছ।

আরও পড়ুনঃ করোনা আবহেই শুরু হবে ভারতীও ক্রিকেট, ১০০ পাতার করোনা পরবর্তী নিয়ম ধরাল বোর্ড।

আর এই অবস্তার মধ্যেই এক নতুন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যার কারণে এই তদন্ত নিয়ে মুম্বাই পুলিশের গাফিলতির দিকটি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ভিডিও টি প্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের হাসপাতালের  ডারমাটোলজিস্ট মীনাক্ষী মিশ্র। তিনি অভিনেতার বডির ভার্চুয়াল অটোপ্সি করেছেন।

এবং তার ১ টি ভিডিও প্রকাশ করেছেন যা এখন মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মুম্বাই পুলিশের। সেই ভিডিও তে মীনাক্ষী দাবী করেছেন সুশান্তকে খুন করা হয়েছে। এবং তা সরকারি ভাবে মৃত্যুর সময়ের ২৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা আগে।ডারমাটোলজিস্ট মীনাক্ষী মিশ্র এই মৃত্যু নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন তিনি বলেছেনঃ  

১. কেউ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলে তার চোখ বাইরে বেরিয়ে আসবে, জিভও বেরিয়ে আসবে। এটাই বলছে বিজ্ঞান। কিন্তু সুশান্তের ক্ষেত্রে মোটেই তা দেখা যায়নি। তার একটি চোখের একদিক হাল্কাভাবে খোলা ছিল।

২। সুশান্তর বাঁদিকেএ ভ্রূর উপর সজোরে ঘুষি মারার চিহ্ন রয়েছে।ঠোঁটের কাছে রস গড়িয়ে পড়েছে। সুইসাইড করলে এগুলো কীভাবে সম্ভব?

৩। যে দড়ি গলায় লাগানো ছিল, ঘাড়ের কাছে ফাঁস ছিল। সেই ফাঁসের চিহ্ন পেন দিয়ে আঁকা ছিল সুশান্তের ঘাড়ের কাছে। কেন? কে করল? আত্মহত্যা করতে যাওয়া কোনও মানুষের পক্ষে এটা সম্ভব ? প্রশ্ন ডারমাটোলজিস্ট মীনাক্ষীর।

৪। ফাঁসের দাগ হয়েছিল মারধরের কারণেই। কেউ একজন সর্বশক্তি দিয়ে সুশান্তকে মেরেছিল। যে কারণে সুশান্তের বাঁদিকে ঘাড়ের কাছে ট্রমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

৫। সব চেয়ে চাঞ্চল্যকর দাবী হল মীনাক্ষী বলেছেন,সুশান্তকে মারা হয়েছিল ১৩ তারিখ রাতেই। সকালে জুস চাওয়ার যে ঘটনার কথা শোনা যাচ্ছে, সেটা আসলে একটা মিথ্যার বেড়াজাল।

৬। সুশান্তকে এতটাই মর্মান্তিকভাবে মারা হয়েছিল যে তার দুটো হাঁটুই ভাঙা ছিল।

৭। মুম্বই পুলিশের কাছে সুশান্তের দড়িতে ঝুলে থাকার কোনও ছবি নেই কেন? গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর হলে তাকে দড়ি খুলে নামানোর দায়িত্ব ফরেন্সিক এক্সপার্টদের, পুলিশের নয়। যা পুলিশ করে গর্হিত অপরাধের কাজ করেছে।

তিনি দাবী করেছেন এই সব গল্প বানিয়ে সাধারণ মানুষদের বোকা বানান যায় ডাক্তারদের নয়। তাঁর আরও দাবী তথ্য লুকোনোর কারণে মুম্বই পুলিশের শাস্তি হওয়া উচিত।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর