শিক্ষক নিয়োগ ও নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জর্জরিত বাংলা। হাইকোর্টের দায়ের হয়েছে একের পর এক মামলা। জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সোমবার শীর্ষ আদালতে রয়েছে শুনানি। মনে করা হচ্ছে, অবশেষে আইনি জট কাটতে চলেছে। এরপরই নিয়োগ হবে ১১ হাজার ৭৬৫ শূন্যপদে (Joining letters to 11,765 teachers)। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিয়োগপত্র দেওয়ার ছাড়পত্র নিয়ে আশাবাদী। সেই কারণে শুরু হয়েছে চরম ব্যস্ততা।

আরও পড়ুন: বাংলায় ন্যায় যাত্রা চলাকালীনই ঘর ভাঙল, তৃণমূলে যোগ অধীর ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতার
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন পর্ষদ সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। এরপর পর্ষদের নতুন সভাপতি হন গৌতম পাল। দায়িত্বে এসেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন বলে খবর। কাউন্সিলিং, ইন্টারভিউ (Interview) পর্যন্ত এগিয়েও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যায়নি। এরফলে নিয়োগপত্র দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে পর্ষদ ভাবছে, সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যেভাবে নিষ্পত্তির দিকে এগোচ্ছে তাতে দ্রুত ছাড়পত্র পাওয়া যাবে। ১১ হাজার ৭৬৫ শূন্যপদে নিয়োগপত্র দেওয়া যাবে। পর্ষদের তরফে প্যানেল তৈরি করা হচ্ছে। ২০২০ সালের নিয়োগের প্যানেল সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হবে বলে খবর।

২০২২ সালের টেট (TET) উত্তীর্ণরা দ্রুত নিয়োগের দাবিতে সরব হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট কী রায় দেয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে আন্দোলনকারীরা। এক চাকরিপ্রার্থী এনিয়ে বলেছেন, কয়েকদিন আগেই পর্ষদ সভাপতির সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। সেইসময় উনি জানিয়েছিলেন নিয়োগ জট কাটলেই সমাধান হয়ে যাবে।’
আইনি জট কাটলেই ১১,৭৬৫ শূন্যপদে নিয়োগ, শীর্ষ আদালতে ‘আশার আলো’ দেখছে পর্ষদ

কয়েক সপ্তাহ আগেই চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীদের দেখা করানোর ব্যবস্থা করেন। দুপক্ষের বৈঠক ভালো হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল।



