রাম মন্দির (Ram Mandir)-এর অনুদান কেলেঙ্কারির তদন্তে সামনে এল নতুন তথ্য। ২০২৫ সালের কুম্ভমেলা (Kumbh Mela) চলাকালীন সময়েই মন্দিরে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ দান ও প্রণামীর অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। ঘটনায় ইতিমধ্যেই আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। তাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে যোগসাজশ করেই এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)-র উপস্থিতিতে উদ্বোধন হওয়া রাম মন্দিরে অনুদান সংক্রান্ত এই বিতর্ক প্রকাশ্যে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। তাঁর নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) ঘটনার তদন্ত শুরু করে।
তদন্তকারীদের দাবি, কুম্ভমেলার সময় রাম মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামায় দান ও প্রণামীর পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে অনুদানের অর্থ আত্মসাৎ করে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই সময়েই সবচেয়ে বড় অঙ্কের চুরির ঘটনা ঘটে।
এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া আটজন হলেন অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, মণীশ কুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রামশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু যাদব। মঙ্গলবার তদন্তকারী দল দীর্ঘ সময় ধরে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশ করে পুরো চক্রটি পরিচালনা করছিল। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন অভিযুক্ত অতীতেও ছোটখাটো চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তবে কুম্ভমেলার সময় ভক্তদের বিপুল ভিড়কে কাজে লাগিয়ে বড় আকারে অনুদানের অর্থ সরানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়।
বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, অভিযুক্ত লবকুশ মিশ্র এবং অনুকল্প মিশ্র, যাঁরা সম্পর্কে ভায়রাভাই, তাঁরাই সবচেয়ে বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তদন্ত এখনও চলছে। অনুদান কেলেঙ্কারিতে আরও কেউ জড়িত কি না এবং মোট কত অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।






