বৈঠকে না গিয়ে দলবিরোধী পোস্ট, ফের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা উস্কে দিলেন রাজীব।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বৈঠকে না গিয়ে দলবিরোধী পোস্ট, ফের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা উস্কে দিলেন রাজীব।একদিকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিতি। অন্যদিকে বৈঠক মিটতেই দলের সমালোচনা করে শাসকদলের প্রশংসা। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীবের তৃণমূলে ফেরা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুনঃ তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে চর্চা হাজার, এদিকে মুকুল রায় জানতেনই না বৈঠকের কথা!

মঙ্গলবার যখন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ যখন হেস্টিংসে দলের কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করছেন তখন দিল্লীতে অমিত শাহের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুকুলের মতই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্ত বৈঠক মিটতেই দলের সমালোচনা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন রাজীব। অমিতের সঙ্গে বৈঠক করে শুভেন্দু জানান বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা যেখানে পৌঁছেছে, তা ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করার পক্ষে যথেষ্ট। বস্তুত, একধাপ এগিয়ে শুভেন্দু জানিয়েছেন, রাজ্যের যা পরিস্থিতি, তাতে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ না করলেই আশ্চর্য! যা নিয়ে রাজীব তাঁ ফেসবুক পোস্টে লেখেন “নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে ৩৫৬ ধারার জুজু না দেখিয়ে কোভিড ও ইয়াস মোকাবিলায় বাংলার মানুষের পাশে থাকা উচিত।”

এদিকে এই নিয়ে শুভেন্দু কিছু না বললেও বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসু জানিয়েছেন এই ব্যাপারে তারা রাজীবের সাথে কথা বলবেন। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দলবিরোধী বেলাগাম মন্তব্য আটকাতে একটি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি গড়েছে রাজ্য বিজেপি। তারা এই নিয়ে রাজীবের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সেদিকে সবার নজর থাকবে। তবে সেক্ষেত্রে রাজীবের বিজেপির সাথে দূরত্ব তৈরি আরও সহজ হয়ে যাবে।

বৈঠকে না গিয়ে দলবিরোধী পোস্ট, ফের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা উস্কে দিলেন রাজীব। নিজের ফেসবুকে আজ রাজীব লেখেন “সমালোচনা তো অনেক হল…মানুষের বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা নির্বাচিত সরকারের সমালোচনা ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে কথায় কথায় দিল্লি আর ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে বাংলার মানুষ ভালভাবে নেবে না। আমাদের সকলের উচিত রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে কোভিড ও ইয়াস, এই দুই দুর্যোগে বিপর্যস্ত বাংলার মানুষের পাশে থাকা।” একই সুর কিছুদিন আগে শোনা গেছিল মুকুল পুত্র শুভ্রাংশুর গলায়। রাজনৈতিক মহল মনে করছে দুজনের তৃণমূলে ফেরা সময়ের অপেক্ষা।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন