সোমবার সকালে রাজস্থানের শিল্পাঞ্চলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত সাত শ্রমিকের। এখনও পর্যন্ত দু’জন শ্রমিক কারখানার ভেতরে আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের ভিওয়াড়ি শহরের কাছে কুশখেরা-কারোলি শিল্পতালুকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে রুটিন টহলদারির সময় পুলিশ ওই কারখানায় আগুন দেখতে পায়। সঙ্গে সঙ্গেই দমকল ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। জানা যায়, মোট ৯ জন শ্রমিক কারখানার ভেতরে আটকে পড়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত সাত জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে, বাকি দু’জনকে খোঁজার কাজ চলছে।


প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে বন্ধ থাকা জি-১, ১১৮ নম্বর প্লটের ওই কারখানায় প্রচুর কার্ডবোর্ড ও দাহ্য রাসায়নিক মজুত ছিল। সেই কারণেই আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিস্ফোরণের সময় কারখানার ভেতরে প্রায় ২৫ জন শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন। বিস্ফোরণের পর কয়েকজন বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও অন্তত সাত জন ভেতরে আটকে পড়েন এবং আগুনে ঝলসে মারা যান।
ঘটনাস্থলে দমকলের অন্তত ছ’টি ইঞ্জিন পৌঁছে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন আংশিক নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কী ভাবে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ওই কারখানায় রাসায়নিক পদার্থের পাশাপাশি আতশবাজি তৈরির কাজও চলত। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
এর মধ্যেই রবিবার কর্ণাটকের মান্ড্য জেলাতেও রাসায়নিক মজুত ট্যাঙ্কে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে দু’জনের। আহত হয়েছেন অন্তত চার জন। বাসারালু এলাকার কারাকাট্টে গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, শ্রমিকরা গ্যাস কাটার দিয়ে ট্যাঙ্কের ঢাকনা খোলার চেষ্টা করার সময় বিস্ফোরণ ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের আগে ট্যাঙ্ক থেকে রাসায়নিক বাষ্প বেরোতে দেখা যায়।










