নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুছে ফেলা হল ১৩ হাজারের বেশী পদ, বেসরকারীকরনের পথে অগ্রসর রেলের। তবে কি বেসরকারিকরনের পথে অগ্রসর হল ভারতীয় রেল? তেমনই মনে করছে রেলের অন্দরমহলের একাংশ ও বিশেষজ্ঞরা। গোটা দেশ জুড়ে রেলে শূন্যপদ যা ‘অতিরিক্ত’ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে তেমন ১৩ হাজার ৪৫০টি পদকে মুছে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। দেশের সব ক’টি রেলওয়ে জোনে অতিরিক্ত পদ যা রয়েছে তা বিলুপ্ত করার কাজ চলছে।
আরও পড়ুনঃ রাজ্যে বিজেপির ভরাডুবি নিয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট, ব্যর্থতার দায় কি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের?
এই নিয়ে রেল বোর্ডের এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর উমেশ বালোন্দা প্রতি জোনের রেল বোর্ডকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে প্রযুক্তির উন্নতি হওয়ায় বেশ কিছু পদ ও কাজ অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ছে ভারতীয় রেলের কাছে। তাই আগের তুলনায় অনেক কম কর্মীর প্রয়োজন হচ্ছে দফতরে। সেই কারনেই এই পদগুলির অবলুপ্তির পথে হাঁটছে রেল। যেমন পূর্ব রেলে ১৩০০, দক্ষিণ-পূর্বে ৯০০ এবং উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলে ৬৫০টি পদ ‘অপ্রয়োজনীয়’ চিহ্নিত হয়েছে। উত্তর রেলে ২,৩৫০টি পদ এক বছরের মধ্যে বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই নিয়ে রেলের কর্মী সংগঠনগুলির মধ্যে কিছুটা হলেও আশঙ্কার বাতাবরন তৈরি হয়েছে। তাঁরা মনে করছেন রেল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে বেসরকারিকরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। যদিও পীযূষ গোয়েল মন্ত্রকের তরফে জানান হয়েছে যে ‘বিজ্ঞানসম্মত ভাবে’ কর্মীদের বিন্যাসের লক্ষ্যে রেলবোর্ড সমীক্ষা চালিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিলুপ্তিকরণের ফলে কর্মীদের চাকরি যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে রেলমন্ত্রী আশ্বাস দিলেও চিন্তামুক্ত হতে পারছেন না কর্মীরা।
মুছে ফেলা হল ১৩ হাজারের বেশী পদ, বেসরকারীকরনের পথে অগ্রসর রেলের। কারণ গত অর্থ বাজেটেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারামন রেলের বেসরকারিকরণ নিয়ে কেন্দ্রের ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে মুখ খুলেছিলেন।



