নজরবন্দি ব্যুরোঃ দিন কয়েক আগেই চিঠি দিয়ে সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে সক্রিয় হয়েছিলেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। মুম্বইয়ে বিরোধী দলগুলিকে নিয় বৈঠকের পরিকল্পনাও ছিল তাঁর। কিন্তু এরই মধ্যে জল্পনা বাড়াচ্ছে দিল্লিতে রাহুল-পাওয়ারের বৈঠক। শোনা যাচ্ছে, বিরোধী বৈঠকের আগে দিল্লিতে মুখোমুখি রাহুল-পাওয়ার।
আরও পড়ুনঃ মাসের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা, ২৫০ টাকা বাড়ল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম


সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই দিল্লিতে একসঙ্গে বৈঠক করবেন রাহুল গান্ধী এবং শরদ পাওয়ার। বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে সঞ্জয় রাউতের। মহারাষ্ট্রে উদ্ভব ঠাকরে পরিচালিত সরকারের অন্যতম শরীক দল হিসাবে রয়েছে কংগ্রেস। সেরাজ্যের নির্বাচনী পরিকল্পনা নিয়ে যেমন আলোওনা হবে। পাশাপাশি আলোচনা হবে জাতীয় রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়েও।

উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস এবং শিবসেনাকে একজোট করে অসাধ্য সাধনের কাজটি করেছিলেন এনসিপি প্রধান। এই মুহুর্তে সমস্ত দলগুলির কাছে শরদ পাওয়ারের গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বেশী। তাই ২০২৪ সালের নির্বাচনে শরদ পাওয়ারকেই ইউপিএ চেয়ারপার্সন করার প্রস্তাব দিতে শুরু করেহে। অনেকেই চাইছেন এবার সোনিয়া গান্ধীর পরিবর্তে তাঁকে আনা হোক।


অন্যদিকে, ২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের দিকে এখন থেকে মাঠে নেমে পড়েছে ডিএমকে। খুব শীঘ্রই দিল্লিতে নতুন সদর দফতরের শুভ সুচনা করতে চলেছেন এমকে স্ট্যালিন। সোনিয়া গান্ধীর পর দেখা করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সমস্ত রাজনৈতিক গণ্ডি পেরিয়ে একমাত্র স্ট্যালিনের নেতৃত্বে বিরোধী জোটকে একত্রিত করা সম্ভব।
বিরোধী বৈঠকের আগে দিল্লিতে মুখোমুখি রাহুল-পাওয়ার, বাড়ছে জল্পনা

কারণ, এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলের সমস্ত নেতাদের আহ্বান করলেও মমতার অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট নন কংগ্রেস নেতারা। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের ইস্যুতে মমতার সঙ্গে দুরত্ব রেখে চলেছে বামেরাও। তাই একমাত্র স্ট্যালিন আগামী দিনে বিরোধী হতে পারেন। এমনটাও গুঞ্জন শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।








