বাঙালি আবেগ ছাড়া থাকবে কি করে? সে ব্রিগেড হোক বা ডার্বি। রাত পোহালেই আগামীকাল ১০ই মার্চ। দুপুরে ব্রিগেডে শাসকদলের ‘জনগর্জন সভা’। রাতে যুবভারতীতে ঘটি বাঙ্গালের লাঠালাঠি। ব্রিগেড কথাটির সাথে সবসময় দক্ষিণপন্থা জড়িত। সামনেই লোকসভা নির্বাচন ২০২৪। নির্বাচনী আবহে রাজ্য জুড়ে শাসক দল ব্রিগেডের ডাক দিয়েছে। ডার্বি আর ব্রিগেড একদিনে পড়ায় সেই নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হয়েছে

আরও পড়ুন : প্রথা ভেঙে ব্রিগেডেই তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা! কাদের উপর ভরসা রাখছে শাসক শিবির?
কলকাতা থেকে ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ডার্বির উত্তাপ কি আর কলকাতা ছাড়া কোথাও মেলে! তবে সব জট কেটে রবিবার তিলোত্তমা সরগরম সকালে ব্রিগেড আর রাতে ডার্বির জ্বরে। রাত সাড়ে আটটা থেকে শুরু হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগান লড়াই। টিকিটের দামে ছাড় দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। আবার বেশী দামে টিকিট কেটেই মাঠে ঢুকতে চান মোহনবাগান।

দুই দলের সমর্থকরা বলছে যে ফুটবলের আবেগের কাছে কোন রাজনৈতিক সমাবেশ কিছুই নয়। দূরদুরান্ত থেকে বহু মানুষ এসেছেন কাল ব্রিগেডের সমাবেশের জন্য। ডার্বির জন্যও বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছেন শহরে। সব মিলিয়ে কাল সারাদিন কলকাতায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। যা নিয়ে আগের থেকে সতর্ক কলকাতা পুলিশ। রবিবার ভোর তিনটে থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সমস্ত পন্যবাহী যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

জমজমাট রবিবাসরীয়, ব্রিগেডে ‘জনগর্জন’ বনাম যুবভারতীতে উল্লাস,কাল কেমন থাকবে মহানগরের রাস্তা?
শুধু নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যকে এর বাইরে রাখা হয়েছে। ধর্মতলা ও ময়দান এলাকার যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখা হচ্ছে। উত্তর কলকাতা গামী সমস্ত গাড়ী আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। হাওড়া থেকে গেলে রেড রোড হয়ে ময়দান চত্বরে পড়বে। যারা কাল ব্রিগেডে গাড়ী নিয়ে আসবে তাদের পার্কিং সম্পূর্ন নিষিদ্ধ হেস্টিংস থেকে লাভার্স লেন এলাকায়।



