নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোটব্যাঙ্ক ম্যাটারস! নির্বাচনের খাতিরে অন্যের বক্তব্য বিকৃত করতেও পিছুপা হচ্ছেন না নেতা মন্ত্রীরা। আর এসবের সুত্রধার হিসেবে উঠে আসছে ফের শুভেন্দু অধিকারীর নাম। একদিকে ভোটপুর্ব বাংলার দলবদলের কান্ডারী তিনি। রাজ্যে লাগাতার সভা করে সেখান থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষদের মধ্যে। তার মধ্যেই শুভেন্দুকে নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছিল তাঁরই ঘনিষ্ঠ কনিষ্ক পান্ডা।
আরও পড়ুনঃ দুষ্টু গরুর হাম্বা শুনতে চাননা আর! টেট দুর্নীতির নায়ক বিশ্বজিৎ কুন্ডুকে তুলোধোনা মমতার।
হঠাতই একদিন এক যুবককে নিয়ে ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূল যুবর সর্বভারতীয় সভাপতির উদ্যেশ্যে। ভিডিওতে তিনি স্মৃতি উস্কে দেন ২০১৫ এর ঘটনার। যেখানে সভমঞ্চে উঠে অভিষেকের ওপর হামলা চালায় এক যুবক। প্রশ্ন উঠেছিল প্রায় ৬ বছর পর তাঁকে ফিরিয়ে এনে অভিষেক কে বার্তা দেওয়ার যুক্তি কী? আর এই যুবকের সঙ্গে কনিষ্ক পান্ডার ঘনিষ্ঠতা, এবং বিজেপি যোগ তুলেছিল আরও এক প্রশ্ন, অভিষেক কে চড় মারার উপহার কি এটাই? নাকি এসব নিয়ে অনেক আগে থেকেই ঘুঁটি সাজিয়েছিলেন শুভেন্দু।
তার পরই কাঁথির জনসভা থেকে জনসম্মুখে ভিডিওর উত্তর দেন। তিনি কনিষ্ককে উদ্যেশ্য করে বলেন “আয় তোর বাপকে গিয়ে বল আমি পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে এখানে আছি, কি করবি করে যা !!’ অর্থাৎ তিনি উদ্যেশ্য করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারিকে। রাজনীতিতে অনুপ্রেরকদের ‘বাবা’, ‘মা’, ‘দাদা’ বলার রীতির সাক্ষী বাংলা। ঘটনার সমাপ্তি এখানেই হতে পারতো। কিন্তু বিতর্ক বাড়িয়ে বাংলায় এসে সেই প্রসঙ্গে অভিষেকের উক্তির ভুল ব্যখ্যা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নাড্ডা।
ভোটব্যাঙ্ক ম্যাটারস! কিন্তু রাজনীতিতে ভোট ব্যাঙ্ক ম্যাটারস। তাই বিরোধী দলের কথার মর্মার্থ বদালেও দ’বার ভাবছেন না অনেকেই। বীরভূমের জনসভায় আজ নাড্ডা ব্যাখ্যা করেন সেদিন কাঁথি জনসভা থেকে ‘বাবা’ অর্থাৎ শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারীর কথা বলেছিলেন। অর্থাৎ বাংলায় দাঁড়িয়ে ‘পিতা’কে অপমান করেছেন অভিষেক। বাংলার সংস্কার-সংস্কৃতির আবেগের কথা তুলে বাংলার মানুষের কাছে অভিষেকের কথার বিকৃতি করে সম্পুর্ন উল্টো ব্যাখ্যা দিয়ে গেলেন তিনি।



