ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের দুই প্রজন্ম, দুই ভাষার দুই উজ্জ্বল অধ্যায়— এক মঞ্চে উঠে এলেন জাতীয় সম্মানের আলোয়। রাষ্ট্রপতি ভবনের আনুষ্ঠানিক মঞ্চে বাংলা সিনেমার অন্যতম মুখ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় গ্রহণ করলেন পদ্মশ্রী, আর কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করলেন হেমা মালিনী। সাংস্কৃতিক পরিসরে এই মুহূর্ত আবেগ এবং সম্মানের নতুন অধ্যায় হয়ে উঠল।
প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-কে চলতি বছরের পদ্ম সম্মানের তালিকায় বাংলা সিনেমায় দীর্ঘ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করার ঘোষণা করা হয়েছিল। সোমবার রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর হাতে সেই সম্মান তুলে দেন।


টলিউডে দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিনয়জীবনে প্রসেনজিৎ নিজেকে শুধু জনপ্রিয় নায়ক হিসেবেই নয়, সময়ের সঙ্গে নিজেকে বদলে নেওয়া এক অভিনেতা হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাণিজ্যিক ছবি থেকে সমান্তরাল ধারার সিনেমা— সব ক্ষেত্রেই তাঁর উপস্থিতি আলাদা করে নজর কেড়েছে।
অন্যদিকে, ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম কিংবদন্তি ধর্মেন্দ্র-কে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করা হয়। তাঁর হয়ে এই সম্মান গ্রহণ করেন হেমা মালিনী। অনুষ্ঠানের সেই মুহূর্ত আবেগঘন হয়ে ওঠে উপস্থিতদের কাছে।
২৫ মে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত প্রথম সিভিল ইনভেস্টিচার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের মনোনীত ব্যক্তিত্বদের হাতে পদ্ম সম্মান তুলে দেওয়া হয়। এ বছর মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মান ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী।


চলচ্চিত্র, সংস্কৃতি, সমাজসেবা, বিজ্ঞান ও জনজীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিত্বদের এই সম্মান দেশের সর্বোচ্চ অসামরিক স্বীকৃতিগুলির অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রসেনজিতের পদ্মশ্রী এবং ধর্মেন্দ্রর স্মৃতিতে পদ্মবিভূষণ— এই দুই মুহূর্ত ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে আলাদা গুরুত্ব নিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



