নজরবন্দি ব্যুরো: ২০তম SCO সম্মেলনে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন আফগনিস্তানে বাড়তে থাকা মৌলবাদের হাত থেকে এই অঞ্চলকে রক্ষা করা SCO-র দায়িত্ব। ঠিক তখনি পাক প্রধানমন্ত্রী জানালেন আফগানিস্তানকে বাইরে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।
আরও পড়ুনঃ SCO সামিটে আফগানিস্তান প্রসঙ্গ তুলে উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে সরব মোদী
সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) ২০তম বার্ষিকী উদ্যাপন সভায় শুক্রবার অনলাইনে বক্তৃতা করার সময় তালিবানের প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে আহ্বান জানিয়ে তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মানবিক সাহায্যের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন ইমরান।

ইমরান জানান আফগানিস্তানের শান্তিতে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ জড়িত রয়েছে। আফগানিস্তান এই মুহূর্তে SCO-তে observer হিসেবে রয়েছে। এই সম্মেলনে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদীও। তিনি তাঁর ভাষণে বলেন, “আফগানিস্তানে (Afghanistan) কী হচ্ছে, তা আমরা সকলেই দেখতে পারছি। একসময় আফগানিস্তানেও শান্তি, সম্মৃদ্ধি ছিল। সেই ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে আমাদের।

সাংহাই কর্পোরেশনের সদস্য হিসাবে আমাদের সকলের দায়িত্ব উগ্রপন্থা ও মৌলবাদি শক্তির উত্থান যাতে না হয়, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা।আমরা ইতিহাসের পাতায় চোখ রাখলে দেখতে পাব মধ্য এশিয়া বরাবরই প্রগতিশীল সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের পীঠস্থান হিসাবে পরিচিত হয়েছে। সেই ঐতিহ্যকে মাথায় রেখেই সাংহাই কর্পোরেশনের (Shanghai Corporation) সদস্যদের উচিত উগ্রপন্থা ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একজোট হওয়া। ভারত সহ সবকটি সদস্যদেশেই ইসলামের সঙ্গে মধ্যপন্থী, সহনশীল প্রতিষ্ঠান যুক্ত রয়েছে।”
SCO-তে আফগানিস্তান নিয়ে ভারতের উল্টো শুর পাক প্রধানমন্ত্রীর গলায়

কিন্তু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ পুরো উল্টো। আর এই ভাষণের পরেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন আফগানিস্তানে তালিবানি শাসন মজবুত যত হবে পাকিস্তানের কাশ্মীর নিয়ে সমস্যা তৈরি করা তত সহজ হবে। তাই ইম্রানের তালিবানি(Taliban) সরকারের পক্ষে এই সওয়াল।



