নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস, AICC-কে প্রস্তাব দিল প্রদেশ নেতৃত্জক্কক্ক বিধানসভা নির্বাচনে মমতার নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিপুল ভোটে জয়ও পান তিনি। রাজ্যেও ফের ক্ষমতায় ফিরে আসে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে দাঁড়িয়েছিলেন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে নিজের একদা শিষ্য শুভেন্দুর বিরুদ্ধে। মারকাটারি লড়াইয়ের পর সামান্য ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি।
আরো পড়ুনঃ তিন বছর পর কেন তদন্ত শুরু হল? শুভব্রত হত্যা মামলায় শুভেন্দুকে স্বস্তি হাইকোর্টের।


এদিকে সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী ভোটে হেরে মন্ত্রীপদে বসলে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচনে জিততে হয়। সেইমতো ঠিক হয় উপনির্বাচনে মমতা লড়বেন নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেই। এদিকে নিয়ম অনুযায়ী মন্ত্রীপদে থাকতে গেলে তাঁকেও জিততে হবে নির্বাচনে। ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট ভবানীপুরে, ৬ তারিখ মনোনয়নের শেষ দিন।
এদিকে কদিন আগেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী জানিয়েছিলেন, মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবেনা কংগ্রেস। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে আসা তৃণমূল সরকারের কান্ডারী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিলেন অধীর। কিন্তু আচমকাই ভূতের মুখে রাম নামের মত অধীরের মুখে মমতা নাম কেন? কংগ্রেস সূত্রে খবর রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতারা চাইছেন ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সাথে জোট করতে।
কিন্তু এদিন ফের সুর বদল করেছে কংগ্রেস নেতৃত্ব। সিদ্ধান্ত হয়েছে, মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস। AICC কে প্রস্তাব পাঠিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্ব।


মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী দেবে কংগ্রেস, সাথে থাকবে সিপিআইএম?

জোটস্বার্থে ‘২১ নির্বাচনে কংগ্রেসকে ভবানীপুর আসন ছেড়েছিল সিপিআইএম। এই কেন্দ্রেও জামানত বাজেয়াপ্ত হয় জোট প্রার্থীর। তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৭৩ হাজার ৫০৫ টি ভোট পান, দ্বিতীয় হন বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষ। তিনি পান ৪৪ হাজার ৭৮৬ ভোট। সংযুক্ত মোর্চার কংগ্রেস প্রার্থী সহদেব খান পান ৫ হাজার ২১১ ভোট।







