নজরবন্দি ব্যুরো: তৃণমূল বনাম বিজেপি, ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। পূর্ব মেদিনীপুরের মহম্মদপুর এলাকায় প্রথমে গ্রাম্য বিবাদ শুরু হয়। সংঘর্ষ এতটাই তীব্র হয় যে তা রাজনৈতিক অশান্তির আকার নেয়। বিবাদের জেরে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর করা হয়, জখম হয়েছেন ২ বিজেপি কর্মী। অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় ওঠে তৃণমূল। এরপর পালটা তৃণমূলের উপরও হামলা চালায় বিজেপি। এ নিয়ে রাতভর উত্তপ্ত ছিল নন্দীগ্রামের মহম্মদপুর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রাম্য বিবাদকে কেন্দ্র করে এলাকায় সংঘর্ষ বাঁধে। মহম্মদপুর এলাকায় সেই ঝামেলার জেরে রবিবার রাতে প্রথমে এক বিজেপি কর্মীর দোকান ভাঙচুর হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক বিবাদ। এলাকার বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তার মধ্যে দুই বিজেপি কর্মীর আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে তাদের তমলুক জেলা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এরপর এর পালটায় বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল সদস্যদের বাড়িতে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে সোমবার সকালেও থমথমে মহম্মদপুর।
একুশের নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নন্দীগ্রাম। কারণ, এখান থেকেই লড়বেন রাজ্যর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অপরদিকে তাঁর প্রতিপক্ষ হতে পারেন সদ্য গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া তরুন নেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ সম্মুখ সমরে নামার আগে এ ধরনের সংঘর্ষে স্বভাবতই রাজনীতির রং লাগছে।
তৃণমূল বনাম বিজেপি, ফের রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত নন্দীগ্রাম। এদিকে, সোমবারই তমলুকে শুভেন্দু অধিকারীর সভা, মিছিল। তার ঠিক আগেই নন্দীগ্রামে এই রাজনৈতিক অশান্তি, বিজেপি কর্মীদের আক্রান্ত হওয়া। এই ঘটনাকে সামনে রেখে শুভেন্দু অধিকারী এদিন তমলুকে এসপি অফিস ঘেরাও কর্মসূচিতে নামবেন বলে খবর। হয়ত জনসভা থেকে এই বিষয়টিকে সামনে রেখে তিনি কড়া বার্তা দিতে পারেন, এমনই ধারণা তাঁর অনুগামীদের।



