অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতন’-এ পুলিশ, বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়া হল একটি মনিটর

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ পুলিশ প্রবেশ করে একটি মনিটর নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার কেন্দ্রে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তাঁর বাসভবন ‘শান্তিনিকেতন’-এ কয়েক জন পুলিশকর্মীর প্রবেশ এবং কিছু সময় পরে একটি মনিটর বাইরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। তবে এই পদক্ষেপের কারণ নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় কয়েক জন পুলিশকর্মী সাধারণ পোশাকে এবং কয়েক জন সাদা উর্দিতে বাড়িতে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর তাঁরা একটি মনিটর বাইরে নিয়ে এসে একটি সাদা গাড়িতে তোলেন। গাড়িটিতে কলকাতা পুলিশ লেখা ছিল বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।

পুলিশের ওই দল বেরিয়ে যাওয়ার পর আরও একটি গাড়ি বাড়ির গ্যারেজ থেকে বেরিয়ে যায়। জানা গিয়েছে, সেই গাড়িটি Lips and Bounds-এর নামে নথিভুক্ত। সংশ্লিষ্ট বাসভবনটিও ওই সংস্থার নামেই পুরসভার নথিতে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন উঠলেও প্রশাসনিক স্তরে এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি। সূত্র অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, ভোটের ফল প্রকাশের কিছুদিন পর থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছিল। বাড়ির বাইরে থাকা অতিরিক্ত নিরাপত্তা অবকাঠামো সরানো হয় এবং তাঁর জন্য বরাদ্দ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আসে। বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী সাংসদ হিসেবে নির্ধারিত নিরাপত্তা বলয় বজায় রয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়।

এর পাশাপাশি অভিষেকের সঙ্গে যুক্ত দুটি ঠিকানা নিয়ে পুর প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নোটিস পাঠানোর বিষয় সামনে এসেছে। অভিযোগ ছিল নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু অসঙ্গতি নিয়ে। সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

তবে সোমবারের এই ঘটনাকে ওই নোটিসের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক— দুই মহলেই নজর এখন পরবর্তী সরকারি ব্যাখ্যার দিকে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন