নজরবন্দি ব্যুরোঃ ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় আজ সোনিয়া গান্ধীকে ফের তলব ইডির। সোনিয়া গান্ধীকে ইডি তলবে উত্তপ্ত দিল্লি। প্রতিবাদে দিল্লিজুড়ে ধর্নায় নামল কংগ্রেস। পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস কর্মীদের খণ্ডযুদ্ধ শুরু হয়। আটক করা হয় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: সমস্ত বিধায়কদের থেকে নাম চেয়েছিল পার্থ, দাবি অনন্তদেব অধিকারীর


এদিন কংগ্রেস নেতারা দিল্লির রাজপথে বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এদিন জিএসটি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বিক্ষোভ চলার পর কংগ্রেস নেতাদের আটক করে পুলিশ। আটক করা হয় রাহুল গান্ধী সহ অন্যান্য কংগ্রেস সাংসদদের।
আটকের পর রাহুল গান্ধী বলেন, ভারত হল পুলিশের দেশ। ক্ষোভ উগরে দেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা চাইছি সরকারের যে আক্রমণ বিরোধীদের প্রতি আজকে আবার সোনিয়া গান্ধীকে অন্যায়ভাবে ডাকা হয়েছে। এভাবে বিরোধী নেত্রীকে ডেকে কংগ্রেসকে অপদস্ত করা হচ্ছে। কংগ্রেস নামক বিরোধী শক্তিকে দুরমুশ করা হচ্ছে। আমরা ইডি এবং মোদির প্রতিবাদ করে রাষ্ট্রপতি ভবন অবধি যেতে চাইছি।


কংগ্রেস নেতাদের কথায়, এদিন রাষ্ট্রপতি ভবন অবধি যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ আটকাতে বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যের কথায়, বাজারের জিনিসপত্রের দামে আগুন। সরকার আলোচনা চাইছে না। সরকার কংগ্রেসের ওপর ক্রমাগত আক্রমণ করে চলেছে। রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধীকে অন্যায়ভাবে ইডি অফিসে ডাকা হচ্ছে।
সোনিয়া গান্ধীকে ইডি তলবে উত্তপ্ত দিল্লি, পথে কংগ্রেস সাংসদরা
অন্যদিকে, এদিন ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইডির সদর দফতরে উপস্থিত হন সোনিয়া গান্ধী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন মেয়ে প্রিয়াঙ্কা। এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় তাঁকে ইডির সদর দফতরে তলব করা হল। বিক্ষোভে অংশগ্রহণের মায়ের সঙ্গে ইডি সদর দফতর অবধি গিয়েছিলএন রাহুল গান্ধী, পরে তাঁকে আটক করা হল।








