বাংলায় আজ মোদীর দ্বিতীয় দিন। আজ কৃষ্ণনগরে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে ১৫ হাজার কোটির প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন মোদী। এরপর সেখানে একটি দলীয় জনসভায় ভাষণ রাখেন মোদী। হরে কৃষ্ণ, জয় গৌরাঙ্গ, মহাপ্রভুর ধ্বনি তুলে বক্তৃতা শুরু মোদীর। সবাইকে বাংলায় স্বাগত জানালেন মোদী (Narendra Modi)।



আরও পড়ুন : সিআইডি জেরার মুখে শাহজাহান, বসিরহাটের আইসি বদল
এই কৃষ্ণনগর থেকেই গতবার লোকসভা নির্বাচনে (Loksobha Election 2024) জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। আবার এই লোকসভা কেন্দ্রে মতুয়া ভোটের প্রভাব রয়েছে বেশ ভালো। এই আবহে আজ কৃষ্ণনগর থেকে সিএএ নিয়ে কোনও বার্তা প্রধানমন্ত্রী দেন কি না, সেদিকে নজর ছিল সবার। তবে সিএএ নিয়ে কিছু বললেন না মোদী। অবশ্য সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এবং দুর্নীতি নিয়ে আক্রমণ শানান মোদী। মোদী বলেন,



‘বাংলার বিকাশ হলেই দেশের বিকাশ হবে। তাই এবার বাংলার ৪২টি আসনের সবকটিতেই পদ্ম ফোটা উচিত। এই বার এনডিএ সরকার ৪০০ পার। এখন তো টিএমসি-র অর্থ বদলে গিয়েছে। টিএমসি-র অর্থ : তু, ম্যাঁ, করাপশন হি করাপশন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই তৃণমূল সরকার প্রতিটি স্কিমকে স্ক্যামে পরিণত করে দেয়। তবে মোদীর গ্যারান্টি, আগামী ৫ বছর ফ্রি রেশন দেবে।

কৃষ্ণনগরে প্রচারে ‘হরে কৃষ্ণ’ ধ্বনি তুললেন প্রধানমন্ত্রী, বললেন টিএমসি শব্দের অর্থ
তবে তৃণমূল তাতেও নিজেদের স্টিকার লাগায়। রেশন চুরি করতেও তারা পিছপা হয় না। মনরেগাতে (MGNREGA) ২৫ লাখ ভুয়ো জবকার্ড।’ মার্চের প্রথমদিনেই বিজেপির হয়ে ভোটপ্রচার শুরু করেছেন তিনি। আর প্রথমেই তিনি বেছে নিয়েছেন গতবারের হেরে যাওয়া দুই কেন্দ্রকে – আরামবাগ এবং কৃষ্ণনগর। এবারে এই দুই আসন ছিনিয়ে নিতে মরিয়া বিজেপি। পাওয়ার প্লে তে মোদীর ব্যাটিং কি জেতাতে পারবে এই দুই আসন?







