করোনা আবহে বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখার আর্জি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে।

বিজ্ঞাপন
নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ করোনা আবহে বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখার আর্জি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে। শুরু বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব। ‘চেতলা অগ্রণী’র দুর্গা প্রতিমার চক্ষুদান করে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা আবহে কিছুটা আড়ষ্ঠতা সাথে নিয়েই শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা। পুজোর জন্যে বাকি আর মাত্র ৭ দিন। কিন্তু সেই সময়েই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা হল বাংলার দুর্গাপুজো বন্ধ করার আর্জি জানিয়ে।

আরও পড়ুনঃ এবার কি রিয়া চক্রবর্তী ‘বিগ বস’-এ আসছেন? জল্পনা তুঙ্গে।

দুর্গা পুজো আবহে করোনার বাড়বাড়ন্ত চিন্তায় ফেলেছে স্বাস্থ্যকর্মী থেকে চিকিৎসকদের। অনেকেই বলছেন দুর্গাপুজোর পর করোনা এমন হাতে সংক্রমণ ছড়াতে পারে যে হাসপাতাল বা সেফ হোমে বেডই থাকবে না। তাই এবার দুর্গাপুজোর নামে উৎসব বন্ধ রাখার আরজি নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন তিনি।

করোনা আবহে বাংলায় দুর্গোৎসব বন্ধ রাখার আর্জি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে। আইনজীবি তাঁর আবেদনে কেরলের ওনাম উৎসবের কথা উল্লেখ করেছেন। হাইকোর্টে করা আবেদনে তিনি বলেছেন, “ওনাম উৎসবের করে কেরালায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সাড়ম্বরে দুর্গাপুজো পালনের কারণেও একই ভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের হার লাফিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।” পাশাপাশি তিনি মহারাষ্ট্রের উদাহরণ টেনে বলেন, “মহামারীর আবহে মহারাষ্ট্র সরকার ইতিমধ্যে গণেশ পুজো ও মহরম নিষিদ্ধ করেছে। সেই উদাহরণ মাথায় রেখেই বাংলায় এ বছর দুর্গাপুজো পালনে উৎসব বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হোক।”

উল্লেখ্য, চলতি বছর দুর্গাপুজোতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে বলেছেন রাজ্যের সমস্ত পুজো কমিটিকে। সতর্কতাগুলির মধ্যে অন্যতম গুলি হল, ১) প্যান্ডেল খোলামেলা করতে হবে৷ মণ্ডপের চারপাশ খোলা রাখতে হবে৷ চারপাশ ঘেরা থাকলে মণ্ডপের ছাদ খোলা রাখতে হবে যাতে হাওয়া চলাচল করতে পারে। ২) দর্শনার্থীদের এবং মণ্ডপ চত্বরে থাকা প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। ৩) মণ্ডপের অনেকটা আগে থেকেই দর্শনার্থীদের স্যানিটাইজার দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

৪)মণ্ডপের ভিতরে ভিড় এড়াতে প্রবেশ এবং বেরনোর আলাদা পথ রাখতে হবে। ভিড় এড়াতে ব্যারিকেড, দাগ দিয়ে মানুষ দাঁড়ানোর জায়গা চিহ্নিকরণের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। ৫) অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ এবং সিঁদুরখেলাতেও ভিড় নয়। ছোট ছোট দলে ভাগ করে অঞ্জলির আয়োজন করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

বিজ্ঞাপন

আরও খবর